Travel: সবুজ চা বাগান এখন আরও সবুজ, ফুল ঝরে গিয়ে কচি পাতায় ভরেছে রডোডেনড্রন, ঘুরে আসুন এই অচেনা ডেস্টিনেশনে
পরের সপ্তাহেই আসছে লম্বা একটা উইকেন্ড। ১৫ অগাস্ট বৃহস্পতিবার শক্রবার একটা ছুটি নিয়ে নিতে পারলেই হল। ব্যাস লম্বা ছুটি। এই সুযোগে বাক্স গুছিয়ে বেড়িয়ে পড়ুন। এবার ঘুরে আসুন এমন একটি ডেস্টিনেশনে যেখানে গেলে মন ভরে যাবে।
জায়গাটি উত্তরবঙ্গেই তবে একেবারে পাহাড় বলা যায়। শিলিগুড়ি থেকে ৬৯ কিলোমিটার ইন্দো- নেপাল সীমান্তে রয়েছে জায়গাটি। একেবারে নেপালের সীমান্ত লাগোয়া ছোট্ট একটা গ্রাম। নিরিবিলি আর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর। সারাবছরই এখানকার তাপমাত্রা অত্যন্ত মনোরম হয়। বড় বড় পাইন। সবুজ চা-বাগান। মন ভরে যাবে এই জায়গায় এলে।

বর্ষায় সদ্য কচি পাতা বেরিয়েছে চা গাছে। তাই পাহাড়ি উপত্যকায় এই চায়ের বাগানের রং এখন অন্যরকম সুন্দর। রডোডেনড্রনের ফুল সব ঝরে গিয়েছে। নতুন কচি পাতা বেরোতে শুরু করে দিয়েছে গাছে। সেই সৌন্দর্য। আবার আলাদা রকম সুন্দর। বসন্তে এই জায়গায় এলে রডোডেনড্রনের সমাহার দেখতে পাবেন।
জায়গাটি এতোটাই সুন্দর এবং মনোরম যে এখানে শুধু মাত্র হোমস্টের ঘরে বসে থাকলেই মনটা প্রশান্তিতে ভরে যাবে। কাজের সব টেনসন নিমেষে দূর হয়ে যাবে। এই সুখিয়া ফরেস্ট ভিলেদের কাছেই রয়েছে জোড়পোখরি। পাইন গাছের জঙ্গল রয়েছে এই জায়গায়। পাহাড়ে এখন বৃষ্টির দাপট অনেকটাই কমেছে। মাঝে মধ্যেই মেঘ সরিয়ে উঁকি দিচ্ছে কাঞ্চনজঙ্ঘা।
বর্ষার পরে কাঞ্চনজঙ্ঘাকে দেখতে যেন আরও সুন্দর লাগে। এখান থেকে একাধিক জায়গায় ঘুরে নেওয়া যায়। দার্জিলিং, ঘুম, বাতাশিয়া, রক গার্ডেন, টাইগার হিল, গাগোপালধারা টি গার্ডেন, লেপচাজগত, সিমানা দারা, নেপাল পশুপতি। যাঁরা অগাস্টের লং উইকেন্ডে দূরে কোথাও বেড়াতে যেতে চাইছেন তাঁরা ঘুরে আসতে পারেন এই জায়গায়।
শিলিগুড়ি থেকে গাড়ি বুক করে অথবা শেয়ার গা়ড়িতেও সেখানে পৌঁছে যেতে পারবেন। আবার শেয়ারগাড়িতে করেও সেখানে পৌঁছে যেতে পারেন। কাজেই আর দেরি না করে প্ল্যানিং করে ফেলুন কোথায় বেড়াতে যাবেন।












Click it and Unblock the Notifications