নবািব ইতিহাসের সাক্ষী হতে চান, ঘুরে আসুন হােতর কাছের বাঁশবেড়িয়ায়
নবািব ইতিহাসের সাক্ষী হতে চান, ঘুরে আসুন হােতর কাছের বাঁশবেড়িয়ায়
নবাবি মেজাজের স্বাদ নিতে চান। বেশি দূরে যেতে হবে কলকাতার কাছেই রয়েছে মুঘল ইতিহাসের ছোঁয়া। বর্ধমানের বাঁশবেড়িয়ায় রয়েছে নবাবি আমলের দুর্গ। বাঁশবেড়িয়ার ইতিহাস অনেকের কাছেই অজানা। একই সঙ্গে মুঘল এবং হিন্দু ইতিহাসের ছোঁয়া রয়েছে এই জায়গায়। একাধিক ইতিহাস ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে এই বাঁশবেড়িয়ায়।

কলকাতার কাছেপিঠে
করোনা কাটিয়ে অনেকটাই স্বাভাবিক রাজ্য। খুলে দেওয়া হয়েছে প্রাথমিক স্কুলও। কাজেই ছন্দে ফিরতে শুরু করে দিয়েছে রাজ্যষ পর্যটন কেন্দ্রগুলিও খুলে গিয়েছে। কাজেই কাছে পিঠে বেড়িয়ে আসতে মন্দ লাগবে না। স্কুল-কলেজের পরীক্ষাও শেষ হয়ে যাবে কয়েকদিনের মধ্যে। তারপরে পরিবারকে সঙ্গে নিয়ে বেড়িয়ে পড়ুন। কলকাতার কাছেই ছড়িয়ে রয়েছে এমন অনেক জায়গা। তারমধ্যে একটা বাঁশবেড়িয়া। বর্ধমান জেলার বাঁশবেড়িয়া যে বেড়ানোর জায়গা হতে পারে সেটা অনেকেরই অজানা ছিল।

কী আছে বাঁশবেড়িয়ায়
বর্ধমান জেলায় রয়েছে বাঁশবেড়িয়া। সেখানে পরতে পরতে জড়িয়ে রয়েছে ইতিহাসের ছোঁয়া। একই সঙ্গে হিন্দুমন্দির তার সঙ্গে নবাবি ইতিহাস জড়িয়ে রয়েছে এই বাঁশবেড়িয়ার আনাচে কানাচে। এখানকার একটা ছোট্ট ইতিহাস রয়েছে। সেটা অনেকেই জানেন না। মুঘল সম্রাট শাহজাহানের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে এই বাঁশবেড়িয়ার ইতিহাস। এই জায়গাটি আসনে জমিদারি হিসেবে দান করেছিলেন শাহজাহান। ১৬৫৬ খ্রিষ্টাব্দে মুঘল সম্প্রাট শাহজাহান রাঘব দত্ত রায়কে ২১টি পরগনার জমিদারি দান করেছিলেন। এই বাঁশবেড়িয়া তারই অংশ।

আনাচে কানাচে ছড়িয়ে ইতিহাস
এই বাঁশবেড়িয়া আসলে তৈরি করেছিলেন রাঘব দত্তরায়ের ছেলে রামেশ্বর দত্তরায়। একটি বাঁশঝাড় তৈরি করে দুর্গ তৈরি করেছিলেন তিনি। তারপর থেকেই এই জায়গাটির নাম হয় বাঁশবেড়িয়া। এখানে একাধিক মন্দির নির্মাণ করেছিলেন তিনি। তার মধ্যে অন্যতম চারচালা বিশিষ্ট মন্দির। ১৬৭৯ খ্রিষ্টাব্দে মন্দিরটি নির্মাণ করেছিলেন তিনি। তার পরে এখানেই তাঁর বংশধর নৃসিংহদেব তৈরি করেছিলেন হংসেশ্বরী মন্দির। একটা সময়ে বিশিষ্ট শিল্পী নন্দলাল বসু এখানে েথকে মাটির ফলক তৈরি করেছিলেন।

কীভাবে যাবেন
খুব সহজেই পৌঁছে যাওয়া যায় বাঁশবেড়িয়ায়। হাওড়া থেকে লোকাল ট্রেনে করে বাঁশবেড়িয়া পৌঁছে যেতে পারেন। মাত্র দেড় ঘণ্টা সময়লাগে পৌঁছতে। আবার সড়ক পথেই পৌঁছে যাওয়া যায় বাঁশবেড়িয়া। কলকাতা থেকে ডানকুনি হয়ে সেখানে পৌঁছতে হয়। দূরত্ব মাত্র ৫৯ কিলোমিটার। গাড়িতে ১ ঘণ্টায় সময় লাগবে। অনায়াসেই পৌঁছে যেতে পারে সেখানে।












Click it and Unblock the Notifications