Travel: শ্রীকৃষ্ণের রথের চাকা পড়েছিল এখানে, কলকাতার কাছেই সপ্তাহান্তের ছুটিতে বেড়িয়ে আসুন গুপ্ত বৃন্দাবনে
বীরভূম মানেই সতীপীঠের স্থান। শুধু মাত্র বীরভূমেই রয়েছে একাধিক সতীপীঠ। কিন্তু অনেকেই জানেন না বীরভূমে জন্মেছিলেন শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর অন্যতম প্রধান অনুরাগী নিত্যানন্দ মহাপ্রভু জন্মেছিলেন বীরভূমের বীরচন্দ্র ধামে। যাকে একচাকা ধামও বলা হয়।
এই নামের নেপথ্যে আবার পৌরানিক একটি কাহিনী রয়েছে। বলা হয়ে যাকে মহাভারতের যুদ্ধের সময় শ্রীকৃষ্ণ যে চাকা ছুড়েছিলেন সেটি নাকি পড়েছিল এই বীরচন্দ্রপুরে। সেকারণেই সেই সময় থেকে বীরচন্দ্রপুর নিয়ে ভক্তদের আনাগোনা ছিল। এখানে ইস্কনের একটি মন্দিরও রয়েছে।

শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর অন্যতম শিষ্য নিত্যানন্দ মহাপ্রভুর নাকি জন্ম হয়েছিল এই বীরচন্দ্রপুরে। সেকারণে এই জায়গাকে গুপ্ত বৃন্দাবনও বলা হয়ে থাকে। তারাপীঠের কাছাকাছি এমন একটি বৈষব ধর্মস্থান রয়েছে অনেকেই জানেন না সেকথা। মহাভারতের সেই কাহিনী বর্ণিত রয়েছে ইস্কনের মন্দিরে। মন্দিরের সদর দরজাতেই রয়েছে শ্রীকৃষ্ণের সেই রথের চাকা। েয রথের চাকা তুলে নিয়ে ভীষ্মকে মারতে উদ্যত হয়েছিলেন। মন্দিরের ভেতরে সেই দৃশ্যের চিত্রও রয়েছে।
কাছেই রয়েছে নিত্যানন্দ মহাপ্রভুর জন্মস্থান। ইস্কনের মন্দির থেকে টোট করে যাওয়া যায়। নিত্যানন্দ মহাপ্রভুর বাড়ির আগেই রয়েছে একটি কুণ্ড। সেই কুণ্ডেই নিত্যানন্দ মহাপ্রভু তাঁর মা বাবাকে গঙ্গাসাগর দর্শন করিয়েছিলেন।
মন্দিরের মাঝে একটি মন্দিরের চূড়া দেখতে পাওয়া যায়। এই পুকুরের জল নাকি কোনও দিন কমে না।

নিত্যানন্দ মহাপ্রভুর জন্মভিটে এখন আর আগের মতো নেই। নতুন করে ভবনটি তৈরি করা হয়েছে। নতুন করে মন্দির তৈরি করা হয়েছে। এখানে এলে একেবারে মন শান্ত হয়ে যায়। বেলুঠ মঠে গেলে যেমন মনটা শান্ত হয়ে যায়
ঠিক সেরকমই অনুভূত হয় এখানে। কলকাতা থেকে বেশি দূরেও নয়। একদিনে তারাপীঠ দর্শনও হয়ে যাবে। সকলে তারাপীঠে গিয়ে কেবল তারামায়ের মন্দিরে পুজো দিয়ে চলে আসেন। কিন্তু অনেকেই জানেন না এই গুপ্ত বৃন্দাবনের কথা।












Click it and Unblock the Notifications