Travel:চা-বাগানের মাঝে ছোট্ট কাঠের কটেজ, পুজোর ছুটিতে কাটিয়ে আসুন মিরিকের কাছে এই জায়গায়
সারি সারি পাইন গাছ। সূর্ষের আলো ক্ষীন এখানে। রেখার মতো এসে পৌঁছয় এখানে। পাইনের জঙ্গল চিড়ে চলে গিয়েছে সর্পিল রাস্তা। আর সারি সারি চা-বাগান। সেখানে মেঘের আনাগোনা যেন একটা সম্মোহন তৈরি করে।
আর এই চাবাগানের মাঝেই রয়েছে একেবারে অফবিট জায়গা সৌরিনি।
এখানে মেঘ গা ছুঁয়ে যায়। হোম স্টের বারান্দায় বসে গরম ধোঁয়া ওঠা দার্জিলিং টিতে চুমুক দিন। এখান থেকে দেখার অফবিট সব জায়গা রয়েছে। কমলা লেবুর বাগান, কিউই বাগান, স্কোয়াস বাগান রয়েছে। এছাড়া পাহাড়ের পর পাহাড় জুড়ে রয়েছে চায়ের বাগান। শশার মাচার মতোই মাচায় হয় স্কোয়াস।

সৌরিনিতে পথে পথে ঘুরে বেড়াতে অসাধারণ লাগবে। হাঁটতে হাঁটতে বেড়িয়ে আসুন কমলালেবুর বাগানে। শীতকালে প্রচুর কমলালেবু হয় এখানে। গ্রামের পাশেই রয়েছে চা-বাগান। চা-বাগানের মাঝে ঘুরতে অসাধারণ লাগে। এখানে আসতে হলে শিলিগুড়ি থেকে গাড়ি ভাড়া করে আসাই ভাল। বেশ কিছুটা সময় লাগে এখানে পৌঁছতে। কারণ মিরিক থেকে অনেকটা দূরে আসতে হয়।
এখান থেকে কাছেই রয়েছে নেপাল। নেপালের পশুপতি মার্কেট। পশুপতি ফটক থেকে গাড়ি নিয়ে কাছাকাছি কয়েকটা জায়গা ঘুরে দেখতে পারেন। ছবির মতো সুন্দর নেপালও। পশুপতি মার্কেটের কাছেই রয়েছে নেপালেন কন্যায়ম। সেটিও চাবাগানে ঘেরা একটা জায়গা। এখানকার সৌন্দর্য আরও সুন্দর। পশুপতি গেট থেকে মাত্র ১৮ কিলোমিটার দূরে রয়েছে এই জায়গাটি।

কন্যাকে ক্যুইন অব ইস্টার্ন নেপাল বলা হয়। চা-বাগানের মাঝে রয়েছে একটি ভিউ পয়েন্ট যেখান থেকে অসাধারণ লাগে চারপাশের সৌন্দর্য। কন্যামের কাছেই রয়েছে একটি বিশাল বৌদ্ধ মূর্তি। ফেরার পথে পশুপতি মার্কেট ঘুরে কেনাকাটা করতে পারেন। অসাধারণ জায়গা এটি। একেবারে অন্যরকম লাগবে এখানকার পরিবেশ।












Click it and Unblock the Notifications