Travel: নির্জন গ্রামের একেক প্রান্তে একেক রকম ভিউ পাওয়া যায়, বেড়িয়ে আসুন দার্জিলিংয়ের এই অফবিট লোকেশনে
সোরেং। নেপালি ভাষায় সো শব্দের অর্থ লম্বা আর রিয়াং শব্দের অর্থ ঘাস। লম্বা ঘাস দুয়ে মিলে সোরেং। একেবারে নিরিবিলি জায়গা। সুন্দর মনোরর পরিবেশ। একেবারে অফবিট লোকেশন। অথচ দার্জিলিংয়ের কাছেই। অনেকেই জানেন না এই জায়গার কথা।
সোরেং দার্জিলিংয়ের নিরিবিলি অফবিট একটি জায়গা। দার্জিলিংয় থেকে দেড় ঘণ্টার মধ্যেই এখানে পৌঁছনো যায়। আবার কালিম্পং থেকে আধঘণ্টার মধ্যেই এখানে আসা যায়। সোরেং গ্রামটি এখন দাড়াগাঁও নামেও পরিচিত। পর্যটন মানচিত্রে একেবারে নতন ধরনের একটা জায়গা। অনেকেই এখানে আসেন না। অথচ দার্জিলিংয়ের ভিড় এড়িয়ে এখানে এনায়াসেই থাকা যায়।

সোরেং ভ্যালির সৌন্দর্যে মুগ্ধ হবেন না এমন দর্শক মেলা ভার। সোরেং গ্রামে খুব বেশি লোকের বাস নেই। এখানকার মানুষ চাষের কাজ করেই রোজগার করে থাকেন। কয়েকটি হোমস্টে অবশ্য রয়েছে। ধীরে ধীরে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে সোরেং। এখান থেকেও তাকদা, ছোট মাঙ্গোয়া, বড় মাঙ্গোয়া যাওয়া যায়। গ্
এখানে এলে পুরনো ধাঁচের বাড়ির দেখা মিলবে। একানে তামাং সম্প্রদায়ের মানুষের বসবাস বেশি। অন্য
সম্প্রদায়ের লোকও রয়েছে। তবে সেই সংখ্যাটা কম। এখানে এক বৌদ্ধ মনেস্ট্রিও রয়েছে। এখানকার বেশিরভাগ মানুষ চাষ করেন। প্রায় প্রতিটি বাড়ির সঙ্গেই রয়েছে চাষের জমি।
এখান থেকে ট্রেক করে একাধিক ভিউ পয়েন্টে পৌঁছনো যায়। সেখানে পৌঁছনোর পর মনে হবে স্বর্গে পৌঁছে গিয়েছেন। হাত বাড়ালেই যেন কাঞ্চনজঙ্ঘা ছোয়া দেেব। এখানকার গ্রামে হেঁটে ঘুরতেই ভাল লাগে। শিলিগুড়ি থেকে গাড়ি ভাড়া করে আসা যায়। আবার দার্জিলিং বা কালিম্পং থেকেও গাড়ি ভাড়া করে আসা যায় এখানে। অসম্ভব সুন্দর এখানকার সৌন্দর্য। পুজোর ছুটিতে একটু অন্যরকম ভাবে কাটিয়ে যান কয়েকটা দিন।












Click it and Unblock the Notifications