Travel: সিল্ক রুটের পথে ছোট্ট অচেনা গ্রাম, কাঞ্চনজঙ্ঘাকে নতুন রূপে দেখতে চলে আসুন এখানে
পাহাড়-নদী-ঝরনা। তিন মিলে ছিমছাম ছোট্ট পাহাড়ি গ্রাম লিংথাম। সিল্ক রুট থেকেই পড়ে এই গ্রামটি। কাঞ্চনজঙ্ঘাকে একেবারে নতুন রূপে দেখা যায় এখানে। উত্তরবঙ্গই সিকিমের গেটওয়ে। কাজেই উত্তরবঙ্গ যাওয়া মানেই সিকিমে পৌঁছে যাওয়া।
এনজেপি থেকে লিংথামের দূরত্ব ১১৭ কিলোমিটার এবং গাড়িতে যেতে সময় লাগে তিন থেকে চার ঘণ্টা। একেবারে খুব দূরেও নয়। সিল্ক রুট মানেই সুন্দর সেটা আর আলাদা করে বলার অপেক্ষা রাখে না। লিংথাম যাওয়ার পথে পড়বে রংলি বাজার। যেথানে আশপাশের গ্রামের লোকেরা বাজার করতে আসেন। ছোট্ট ছিমছাম একটা পাহাড়ি বাজার। এখান থেকে সুবেনিয়ার কিনে নিয়ে যেতে পারেন।

তবে সিকিমে এই পারমিটের প্রয়োজন হয়। হোটেল থেকেই সেই সব পারমিট করিয়ে দেওয়া হয়। হোটেলে রেস্ট নিয়ে বেড়িয়ে পড়ুন গ্রামের পথে। হাঁটতে হাঁটতে মিলবে ছোট ছোট ঝরনা। পাহাড়ি ফুলের সমাহার। কাছেই েদখতে পাবেন লিংথেমের সবচেয়ে সুন্দর জায়গা হ্যাঙ্গিং ব্রিজ।
এই হ্যাঙ্গিং ব্রিজদেখতেই পর্যটকরা এখানে ভিড় করেন। মোটা মোটা চারটি কেবল দিয়ে পিলারের সঙ্গে আটকে দেওয়া হয়েছে ব্রিজটি। একটি ঝোরার উপরে তৈরি হয়েছে ঝুলন্ত ব্রিজটি। সিকিমে কিন্তু নয় নয় করে ছোটখাট অনেক ঝুলন্ত ব্রিজ দেখা যায়। লিংথামের ঝুলন্ত ব্রিজ তার মধ্যে একটি। গ্রামের কাছেই রয়েছে দুটি মনেস্ট্রি। খুব সুন্দর সেই মনেস্ট্রি দুটি।

সাত সকালে উঠে পড়ে আবার বেড়িয়ে পড়ুন গ্রামের পথে। অসাধারণ সুন্দর সেই গ্রামে ঘোরার অভিজ্ঞতা। ঝিমঝাম এঁকটা জায়গা। মনেস্ট্রিতে থেকে কখনও কোখনও আবার কোনও কোনও বাড়ির উঠোন দিয়ে চলে গিয়েছে রাস্তা। নিশ্চুপ নির্জন জায়গা এটি। অসাধারণ দেখতে। মনেস্ট্রিটা ঘুরে দেখতে দেখতে সময় কেটে যাবে অনেকটা সময়। সিল্করুট যাওয়ার পথে থমকে যান একটা দিন।
এমনিতেই সিকিম অসাধারণ একটা রাজ্য। বাঙালিদের প্রিয় ডেস্টিনেশন বললে ভুল হবে না। অসাধারণ সেখানকার প্রাকতিক সৌন্দর্য। যেখানেই যান না কেন সিকিম মোহময়ী। ইচ্ছে করলেই সকলে ছুট দেন গ্যাংটক বা নর্থ সিকিমের একাধিক জায়গায়। কিন্ত ইস্ট এবং আয়েস্ট সিকিমও যে অসাধারণ সেটা অনেকেই জানেন না।












Click it and Unblock the Notifications