Travel:ডুয়ার্স তো অনেক ঘুরেছেন, কিন্তু পলাশ দেখেছেন কি? চলে আসনু জলদাপাড়ার এই অচেনা লোকেশনে
বসন্তের রং পাহাড়েও দেখা দেয়। পাহাড় মানেই কেবল বরফ নয়। এখানে বসন্ত আরও সুন্দর। আর জঙ্গলে তো আরও বন্য। সেই বন্য সুন্দর বসন্ত দেখতে হলে চলে আসতে হবে ডুয়ার্সের এই অচেনা লোকেশনে। যেখানে দেখা মিলবে পলাশেরও।
পলাশ মানেই আমরা জানি লালমাটির দেশ। সেকারণে বসন্তের শুরু দেখেই পুরুলিয়া-বাঁকুড়া-বীরভূমে ভিড় করতে থাকেন পর্যটকরা। শান্তিনিকেতনের বসন্তো উৎসবে সামিল হতে ছুটে যান সকলে। এখন সেই বসন্তোৎসব আর দেখা যায় না ঠিকই তবে খোয়াইয়ে বেসরকারি উদ্যোগে আয়োজন করা হয় বসন্তোৎসবের। তাতেই রঙের খেলায় মাতেন সকলে।

কিন্তু ডুয়ার্সে পলাশ খুব কম লোকেই দেখে থাকবেন। তার জন্য আসতে হবে জলদাপাড়ার সিসামারায়। সিসামারায় দেখতে পাবেন অসংখ্য লাল পলাশ। জয়ন্তী নদীর পারে নয় এই জায়গা। এখান দিয়ে বসে গিয়েছে সিসামারা নদী। আর সেই নদীর পাড়েই জঙ্গল। আর তাতেই দেখা মেলে পলাশের।
আর এই জঙ্গেলর মধ্যেই রয়েছে থাকার জায়গা। জঙ্গলের মধ্যে রয়েছে ট্রি হাউসে থাকার জায়গা। যেখানে থাকলে মনে হবে আপনি কোনও ওয়াচ টাওয়ারে রয়েছেন। সেখান থেকে নদী এবং জঙ্গলের অসাধারণ ভিউ পাওয়া যায়। বিকেল থেকে নদীর পাড়ে একাধিক জন্তুর আগমন ঘটে। ঘরে বসেই সেই সব দেখতে পারবেন। ময়ুর অসংখ্য নাম না জানা পাখির দেখা মেলে।
তিনটে থেকে এখানে সাফারিও করা যায়। এখান থেকে জলদাপাড়া জঙ্গলের দূরত্ব মাত্র ১০ মিনিটের মতো। জঙ্গলের বুক চিড়ে জিপ নিয়ে যাবে। আর চারপাশে গহীন অরণ্যের েক বন্য গন্ধ মুগ্ধ করবে। দিনের শেেষ ডেরায় ফিরতে থাকা জন্তুদের দেখা পেলেও পেেয় যেতে পারেন। এই বসন্তে জঙ্গলে ময়ুরের পেখম মেলাও দেখে নিতে পারবেন। জঙ্গেলর মাঝে উঁকি দিয়ে যাবে গণ্ডার। সে এক অনব্য দৃশ্য হতে পারে তাতে কোনও সন্দেহ নেই।
সন্ধেবেলা কটেজের সামনে বার্বিকিউতে চিকেন সেঁকতে সেঁকতে শুনে নিন লোকসঙ্গীত। ভোর হতেই জঙ্গলের সেই স্নিগ্ধতা মন ভুলিয়ে দেবে। সকাল সকাল উঠতে পারলে নদীর পাড়ে পাড়ে টোটো সাফারিও করতে পারেন। সে এক মজার সাফারি। নদীর পাড়ে পাড়ে টোটো করে ঘুরে নেওয়া। সিসামারা নদী আর চা বাগানের মাঝ দিয়ে নিয়ে যাবে টোটো। তাহলে আর দেরি না করে চলে আসুন ডুয়ার্সের এই অচেনা জায়গা।












Click it and Unblock the Notifications