Travel: চা-বাগান আর পাইনের জঙ্গলের মাঝে কটেজে কাটিয়ে যান কটা দিন, গরমের ছুটির সেরা ডেস্টিনেশন
গরম থেকে একটু হলেও রেহাই মিলেছে। জেলায় জেলায় হালকা বৃষ্টি শুরু হয়ে গিয়েছে। কিন্তু তারপরেও একটা ভ্যাপসা গরম রয়েই গিয়েছে। এই গরমে ঘুরে আসুন এমন একটি জায়গায়। যেখানে এখনও সোয়েটার গায়ে দিতে হবে। দার্জিলিংয়ের কাছেই রয়েছে সেই জায়গা।
এই জায়গাটির নাম শ্রীরানকোঠি। পর্যটকরা যে রাস্তা দিয়ে দার্জিলিংয়ে যান সেই রাস্তাতেই পড়ে এই পাহাড়ি গ্রাম। কিন্তু এখানে পর্যটকদের আনাগোনা নেই। অথচ প্রকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর এই জায়গাটি। একদিকে গোপালদারা টি এস্টেট আরেকদিকে পাইনের জঙ্গল।

গোপালদারা টি এস্টেটের কথা সকলেই জানেন। সেখানে এখন অনেক হোমস্টেও তৈরি হয়েছে। এই শ্রীরানকোঠি গ্রামে পৌঁছতে হলে গোপালদারা টি এসস্টেট হয়েই এই গ্রামে পৌঁছতে হবে। গোপালদারা টি এস্টেট থেকে যে রাস্তাটি নীচে নেমে গিয়েছে সেই রাস্তা দিয়েই পৌঁছে যাওয়া যায় এই গ্রামে।
কাঞ্জনজঙ্ঘার দর্শন না পেলেও এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য মন ভরিয়ে দেবে একেবারে সাদামাঠা জীবন এখানকার বাসিন্দাদের। আতিথি আপ্যায়ণে আতিশয্য না থাকলেও আত্মিকতা আছে। অর্থাৎ তাঁরা আপন জনের মতোই পর্যটকদের আপ্যায়ণ করে থাকে। এখানে এলে মনে হবে আপনি আপনার নিজের পাহাড়ের বাড়িতে রয়েছেন। একেবারে সাধারণ পাহাড়ি গ্রামীণ জীবন দেখতে পাবেন এখানে।
তারসঙ্গে পাহাড়ি খানাপিনা। রাইশাক, আলুর আঁচার, দেশি মুরগির মাংস। একেবারে স্বাদই অন্যরকম। তার সঙ্গে একেবারে অরগ্যানিক ফুড পেয়ে যাবেন। কাজেই ভোজন রসিক বাঙালির খাবারটা একটু ভাল হলে আর কিছুর প্রয়োজন হয় না। ছোট ছোট কটেজ সিস্টেমে এখানে হোমস্টেতে থারাপ ব্যবস্থা। তাতে আতিশয্য নেই সাধারণ ঘরের মতোই থাকার জায়গা।
গোপালদারা চা-বাগানের সঙ্গে পাইনের জঙ্গল তার সঙ্গে পাহাড়ি সৌন্দর্য। গরমের ছুটিতে প্রকৃতির কোলে নিরিবিলিতে কাটানোর একটা সেরা জায়গা এই পাহাড়ি গ্রামটি। এখানে গরমের ছুিটর কটা দিন কাটিয়ে যান মন ভাল হয়ে যাবে। এতোটাই সুন্দর এই জায়গা।












Click it and Unblock the Notifications