Travel: ব্রিটিশ আমলের বাংলোয় বসে কাঞ্চনজঙ্ঘা দর্শন, কটা দিন কাটিয়ে আসুন দার্জিলিংয়ের কাছে এই চা-বাগানে

উত্তরবঙ্গের জনপ্রিয়তা পাহাড়ের জন্য তো বটেই। তারসঙ্গে চা-বাগানকে বাদ দিলে চলে না। যে দার্জিলিং টিয়ের জগৎজোড়া খ্যাতি। সেই সব চা-বাগানকে কেন্দ্র করে এখন পর্যটন কেন্দ্র গড়ে উঠছে। আগে গিগন্ত বিস্তৃত চা-বাগান কেবল চাক্ষুস করেই হোটেলের ঘরে ফিরে যেতে হত পর্যটকদের।

কিন্তু এখন আর সেটা হচ্ছে না। এখন সুন্দর সুন্দর থাকার জায়গা হয়েছে সেখানে। চা-বাগানের মধ্যে বাংলোগুলিতে পর্যটকদের থাকার ব্যবস্থা হয়েছে। আর সবচেয়ে ভাল বিষয় হয় অধিকাংশ চা-বাগানের বাংলোই তৈরি হয়েছিল সেই ব্রিটিশ আমলে। দার্জিলিংয়ের কাছে এমনই একটি চা বাগান রয়েছে যার নাম সিংটম।

Travel

১৮৫৪ সালে এক জার্মান সাহেব এই চা বাগানটি তৈরি করেছিলেন। আর তার মধ্যে বাংলোটি তৈরি হয়েছিল ১৮৬২ সালে। তাহলেই বুঝতে পারছেন বাংলোটির বয়স কত। চারিদিকে সবুজ চা-বাগান আর মাঝে এই ব্রিটিশ আমলের বাংলো। সেই বাংলোর বারান্দা থেকে কাঞ্জনজঙ্ঘার অপূর্ব দৃশ্য উপভোগ করা যায়। ব্রিটিশ আমলের বাংলো বাড়ি থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা ভাবলেই কেমন একটা সিনেমা সিনেমা অনুভূতি হতে থাকে।

দার্জিলিং শহর থেকে মাত্র ৬ কিলোমিটার দূরে রয়েছে চা-বাগানটি। মাত্র ২০ মিনিটেই সেখানে পৌঁছে যাওয়া যায়। দার্জিলিং থেকে গাড়ি ভাড়া করে সেখানে পৌঁছে যাওয়া যায়। আবার চা-বাগান বলে রাখলে তারা গাড়ি পাঠিয়ে দেয়। পাহাড়ের মাঝে সবুজ লনে বসে চায়ের স্বাদ নেওয়া। চার পাশে পাহাড়ের ছবি। সে এক স্বর্গীয় অনুভূতি ছাড়া আর কিছুই বলে মনে হবে না।

বাংলোর ভেতরে প্রতিটি ঘর থেকে মাউন্টেন ভিউ পাওয়া যায়। তার সঙ্গে প্রতিটি ঘরেই সেই ব্রিটিশ আমলের ফায়ার প্লেস রয়েছে। প্রতিটি ঘর থেকে উঁকি দেয় কাঞ্চনজঙ্ঘার। এখানে এসে একেবারে সাহেবি আদবকায়দায় ডুবে যেতে হবে। এখানকার একটাই সমস্যা খাবার কেবল ভেজিটেরিয়ান খাবার পাওয়া যায়। তবে তার স্বাদ অসাধারণ। চাবাগানের চায়ের স্বাদও িনতে পারেন।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+