Travel: দার্জিলিং তো অনেকবার গিয়েছেন, ঘুরে আসুন এই অচেনা লোকেশনে
রাত ২টোয় উঠে ছুটতে হবে না টাইগারহিলে। হোমস্টের ঘরে বসেই সেই স্বর্গীয় সূর্যোদয়ের দৃশ্য দেখতে পাবেন। ভাবছেন এমন জায়গা কোথায় রয়েছে দার্জিলিংয়ে। দার্জিলংয়ে নেই কিন্তু দার্জিলিংেয়র কাছেই রয়েছে সেই লোকেশন। যেখানে ঘরের সামনে বিস্তৃত কাঞ্জনজঙ্ঘা। তাঁর অপরূপ শোভা মুগ্ধ হয়ে যেতে হয়।
পাহাড়ে নতুন করে বৃষ্টি হচ্ছে। কাজেই আবহাওয়াটাও বেশ সুন্দর হয়ে গিয়েছে। সিকসিনদারা একেবারেই অচেনা একটি জায়গা দার্জিলিংয়ের। সিনচেন জঙ্গলের একেবারে গা ঘেঁসে রয়েছে এই ছোট্ট পাহাড়ি গ্রামটি। পর্যটকদের তেমন ভিড় নেই বলে এটি এখনও আনকোড়া। এখানে সিনচেন জঙ্গল কাছেই থাকায় যে পথ দিয়ে এখানে আসবেন সেই পথে দেখা হয়ে যেতে পারে কোনও বন্যজন্তুর।

কাছেই একটি রডোডেনড্রন পার্ক তৈরি হয়েছে। তবে একেবারেই নতুন পার্কটি। সেকারণে এখনও সেখানে গাছগুলি তেমন বড় হয়নি। তবে এর সামনে যে দৃশ্য দেখা যায় তা দার্জিলিংয়ের কোনও জায়গা থেকে দেখা যায় না। দিগন্ত জুড়ে থাকে কাঞ্চন জঙ্ঘা। সামনে কোনও পাহাড় না থাকায় সেখানে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখাতে কোনও বাধা তৈরি হয় না। এই রডোডেনড্রন পার্কে চাইলে সারাদিন কাটিয়ে দিতে পারেন।
পার্কের কাছেই রয়েছে ছোট্ট হোমস্টে। যার সামনে সেই একই দিগন্ত জোড়া কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা যায়। এখানে বসেই দিন কেটে যাবে। একেবারে পাহাড়ি খাবার হাতে নিয়ে কাঠের ছোট্ট বাড়িটির সামনে কাটিয়ে দিন পুরো সন্ধেটা। এখান থেকে উঠতে ইচ্ছে করবে না। পূর্ণিমার রাতে আরও মোহময়ী হয়ে ওঠে জায়গাটি। পূর্ণিমার মায়াবি আলোয় আরও মায়াবী হয়ে ওঠে সিকসিনদারা।
বার্বিকিউতে ধোঁয়া ওঠা চিকেন তার সঙ্গে গিটারে সুর তুলতে তুলতে জমে যাবে রাতের আসর। নেপালি-হিন্দি মিলিয়ে জমজমাট আড্ডা মন্দ হবে না। তারপরে ভোরের আলো ফুটতেই সোনাগলা রোজ মাখিয়ে দেবে কঞ্জনজঙ্ঘাকে। হারমানায় টাইগারহিলের দৃশ্য। আর কষ্ট করে যেতে হবে না টাইগার হিলে। এখান থেকে অনেক জায়গা ঘুরে নিতে পারবেন। মংপু থেকে দার্জিলিং এমনকী চটকপুর ট্রেক করে পৌঁছে যাওয়া যায়।












Click it and Unblock the Notifications