Travel: পুজোয় যাঁরা বেড়াতে যাওয়ার প্ল্যানিং করছেন, তাঁদের জন্য রইল এই অচেনা ডেস্টিনেশন
পুজোর তোরজোর শুরু হয়ে গিয়েছে। পুজো মানে কিন্তু পর্যটনেরও একটা বড় উৎসব। পুজোর ছুটি বেড়াতে যেতে ভালবাসেন বাঙালিরা। যে রাজ্যের মধ্যেই হোক বা রাজ্যের বাইরেই হোক।
পুজোর ছুটির বুকিং এখনই শুরু হয়ে গিয়েছে বিভিন্ন জায়গায়। উত্তরবঙ্গের একাধিক হোমস্টে বুকিং শুরু করে দিয়েছে। প্রতিবেশী রাজ্য সিকিমেও শুরু হয়ে গিয়েছে বুকিং। বর্ষার সময় সাধারণত অফ সিজন চলে পাহাড়ে। তেমন পর্যটকদের আনাগোনা দেখা যায় না।

এই সময় পাহাড়ে প্রবল বর্ষণ চলছে। সেকারণে পর্যটকদের বেশি আনাগোনা নেই বললেই চলে। ধস নেমে একাধিক সড়কে ধস নেমেছে। তিস্তা নদী ফুঁসছে। কয়েকদিন আগেই প্রবল বর্ষণে রাস্তায় ধস নেমে উত্তর সিকিমে আটকে পড়েছিলেন পর্যটকরা। সেনাবাহিনীর উদ্যেোগে তাঁদের উদ্ধার করে আনা হয়।
বর্ষা কেটে গিয়ে আবার নতুনভাবে সেজে উঠবে পাহাড়। আবার পর্যটকদের গাড়িতে ভরে উঠবে এনজেপি। এখনই তার তোরজোর শুরু করে দিয়েছেন অনেকেই। যাঁরা এখনও কোথায় যাবেন ভেবে উঠতে পারছেন না তাঁদের জন্য অপেক্ষা করছে সিকিমের এই অচেনা ডেস্টিনেশন। জায়গাটির নাম চালামথাং। একেবারে অচেনা একটা পাহাড়ি গ্রাম। সিকিমের বহু পরিচিত জনপদ নামচি জেলার একটি গ্রাম এটি। সিনথাম থেকে খুব একটা বেশি দূরে নয়। গা়ড়িতে যেতে আধঘণ্টা সময় লাগে। শিলিগুড়ি থেকে দূরত্ব ৯৮কিলোমিটার।
একেবারে নিরিবিলি একটা অচেনা জায়গা যেখানে শান্তিতে বেশ কয়েকটা দিন কাটিয়ে দিতে পারবেন। হোমস্টে আগে থেকে বুক করে নিতে হয় কারণ এখানে বেশি হোমস্টে নেই। খুব কমসংখ্যক হোমস্টে রয়েছে।
বাঙালি পর্যটকরা বারবার সিকিমে ছুটে যান কারণ সেখানকার মানুষের আতিথেয়তার জন্য। একেবারে আপন জনের মতো করে কাছে টেনে নেন তাঁরা পর্যটকদের। এখানে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সঙ্গে সঙ্গে সিকিমের খাবার নিয়ে রসনা তৃপ্তিও হয়ে যাবে। কাছাকাছি বেশ কয়েকটি ভিউ পয়েন্ট রয়েছে। চাইলে ট্রেক করে পৌঁছে যেতে পারেন সেখানে। দৌড় ঝাঁপ করে যাঁরা ঘুরতে চান না তাঁদের এই জায়গাটি বেশ ভালই লাগবে।












Click it and Unblock the Notifications