Travel: চা-বাগানের মধ্যে ছোট্ট একটা কটেজ, কটা দিন কাটিয়ে আসলে মন ভাল হয়ে যাবে
উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় এখন চা-বাগানকে কেন্দ্র করে একাধিক পর্যটন কেন্দ্র তৈরি হয়েছে। চা-বাগানের মধ্যে থেকে পাহাড় দেখার অনুভূতিই আলাদা। গরুবাধান, কালিম্পং, দার্জিলিংয়ের কাছে এরকম অনেক চা-বাগান কেন্দ্রিক পর্যটন কেন্দ্র রয়েছে। তার মধ্যে একটা এই সামসিং।
শিলিগুড়ি থেকে চালসা হয়ে যেতে হয় এখানে। পাহাড়ি মানুষের জীবন যাত্রা দেখতে দেখতে পথটা হঠাৎ কখন পাহাড়ে উঠে যাবে বুঝতে পারবে না। শিলিগুড়ি থেকে সামসিংয়ের দূরত্ব খুব বেশি দূরে নয়। কিন্তু চা-বাগানের মধ্য দিয়ে যখন ঢুকে যাবে বুঝতে পারবেন না। স্বপ্নের মতো সুন্দর তার সেই রাস্তা।

সামসিং চা বাগানের মধ্য দিয়ে কখনও উঁচু কখনও নিচুতে গিয়েছে রাস্তা। চা বাগানের মধ্যে রয়েছে একটি বাংলো। চা বাগানের মালিকরাই সেই বাংলো তৈরি করেছে তাতে কোনও সন্দেহ নেই। এই বাংলোর মধ্যেই রয়েছে সুন্দর একটা ভিউ পয়েন্ট। ফুলের বাগান দিয়ে সাজানো গোছানো একটা বাংলো বাড়ি।
বাংলোর পাশেই রয়েছে চা তৈরির কারখানা। সেখানে কীভাবে চা তৈরি হচ্ছে বাগান থেকে তুলে আনার পর সেটাও দেখতে পারবেন। আবার চায়ের কারখানায় তৈরি চায়ের স্বাদ িনতেও পারবেন। কাজেই আর দেরি না করে চলে আসুন সামসংয়ের এই চা বাগানে। কাটিয়ে যান চা বাগানের এই বাংলোয়। দেখবেন মনটা ভাল হয়ে যাবে।
সকাল থেকে উঠে যার স্বাদ না নিলে দিন শুরু হয় না। সেই চায়ের স্বাদ নিতে নিতে কটা দিন কাটিয়ে যান। মন ভাল হয়ে যাবে।












Click it and Unblock the Notifications