Travel: হাতছানি দিয়ে ডাকছে স্লিপিং বুদ্ধা, শিলিগুড়ি থেকে মাত্র কয়েক কিলোমিটার দূরেই রয়েছে সেই অফবিট স্পট
পাহাড়ের সম্মোহন কাটিয়ে ওঠা খুব কঠিন। সেকারণেই এতো দুর্যোগ, এতো বিপর্যয়ের পরেও কিন্তু সিকিম,উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন পাহাড়ি জায়গায় ভিড় করেছেন পর্যটকরা। যাঁরা কাঞ্জনজঙ্ঘাকে একটু নতুন ভাবে দেখতে আগ্রহী তাঁরা চলে আসতে পারেন সাধুতারে।
সাধুতার যদিও আমাদের দেশের অংশ নয়। নেপালের অংশ। কিন্তু যেতে হয় শিলিগুড়ি দিয়েই। শিলিগুড়ি থেকে নেপালের সাধুতারের দূরত্ব মাত্র ১৫৬ কিলোমিটার। পূর্ব নেপালের অংশ এটি। নেপাল মানেই আমরা জািন কাঠমান্ডু। মাউন্ট এভারেস্ট আর পশুপতি মন্দির দর্শনের টানে সেখানে বারবার ছুটে যান পর্যটকরা।

কিন্তু নেপালের এই সাধুতার সম্পর্কে খুব বেশি ভারতীয় পর্যটক জানেন না। কাঞ্জনজঙ্ঘার পুরো রেঞ্জ অর্থাৎ স্লিপিং বুদ্ধা এবং মাউন্ট এভারেস্টকে একসঙ্গে দেখা যায় এখানে। আর সেই দৃশ্য এতোটাই সম্মোহন তৈরি করে যে বারবার সেখানে ছুটে যেতে মন চাইবে।
সিঙ্গালিলা জাতীয় উদ্যানের মতন এখানে আসার কোনও সময়ের মাপকাঠি নেই। দিতে হয় না কোনও প্রবেশ মূল্য। সারাবছরই গাড়িতে এখানে চলে আসা যায়। ট্রেক করার প্রয়োজন হয়না। সেকারণেই সব বয়সের মানুষ এখানে আসতে পারেন।

সমুদ্র পৃষ্ট থেকে এর উচ্চতা প্রায় ৮০০০ ফুট। পূর্ব নেপালের পাঁচতার জেলার অন্তর্গত জায়গাটি। শিলিগুড়ি থেকে দূরত্ব ১৬২ কিলোমিটার দূরে। ৫ থেকে ৬ ঘন্টার ড্রাউভে পৌঁছে যাওয়া যায় এখানে। প্রথমে কাকরভিটা তারপরে সাধুতার। পূর্ব নেপালের ইলাম থেকে সাধুতার এর দূরত্ব ৪৮ কিলোমিটার।
এখানে একবার এলে আর যেতে ইচ্ছে করবে না। সাধুতার দেখার পাশাপাশি সান্দাকফু, মাবু, কন্যামও একসঙ্গে দেখে িনতে পারবেন। কাজেই আর দেরি না করে বেড়িয়ে পড়ুন। একসঙ্গে মাউন্ট এভারেস্ট এবং কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখার সুযোগ খুব কমই পাওয়া যায়।












Click it and Unblock the Notifications