Travel: পাহাড়ের কোলে দুজনে কটাদিন কাটাতে চাইছেন, ঘুরে আসুন এই লোকেশনে
গরমের ছুটির সেরা ঠিকানা পাহাড় তাতে কোনও সন্দেহ নেই। কিন্তু যদি দুটিতে নিরিবিলিতে কোথাও বেড়াতে যেতে চান তাহলে সেরা ডেস্টিনেশন হতেই পারে এই জায়গাটি। দার্জিলিং থেকে কাছেই অবস্থান রেলিংয়ে। এই রেলিংয়ের কাছেই পাহাড়ের মধ্যে রয়েছে ছোট ছোট কটেজ।
একেবারে রেলি নদীর ধারে রয়েছে জায়গাটি। সামনে কেবল পাহাড় আর পাহাড়। তারসঙ্গে কাঞ্চনজঙ্ঘার অপরূপ শোভা উপভোগ করতে পারবেন। অনেকটা ড্রিমল্যান্ডের মতো জায়গাটি। কটেজের জানলা খুললেই সামনে পাহাড়। তার সঙ্গে মেঘের আনাগোনা উপভোগ করতে পারবেন। এতোটাই সুন্দর এখানকার পরিবেশ।

এখন পাহাড়ের আবহাওয়া অত্যন্ত মনোরম। দক্ষিণবঙ্গে যেখানে তাপমাত্রার পারদ চড়তে শুরু করেছে সেখানে পাহাড়ের আবহাওয়া অত্যন্ত মনোরম। কয়েকদিন আগে আবার শিলাবৃষ্টিও হয়ে গিয়েছে। তাতে তাপমাত্রার পারদ আরও নেমেছে। দার্জিলিংয়ের বেশ ঠান্ডা হাওয়া দিচ্ছে। সন্ধে নামলে তাপমাত্রা আরও নামতে শুরু করছে। ৪০-৪২ ডিগ্রির তাপমাত্রা থেকে একেবারে সোয়েটার চাদর জড়ানো ঠান্ডায় যাওয়ার মজাই আলাদা।
কাজেই যারা বৈশাখে বিয়ে করছেন তাঁদের জন্য এটা কিন্তু একটা সেরা ঠিকানা হতেই পারে। এতোটাই সুন্দর এখানকার পরিবেশ। বেশ ২ জনে চলে আসুন। জমে যাবে হানিমুন। সুন্দর পরিবেশে সময় কাটানোর পাশাপাোশি স্থানীয় খাবারের স্বাদ নিজে পারবেন। হোমস্টের কটেজের ঘর থেকেই দেখতে পারেন কাঞ্চনজঙ্ঘার সূর্যোদয়। সকালের অ্যাম্বিয়েন্স অসাধারণ হয়ে যায়।
এখানে আসতে হলে শিলিগুড়ি থেকে সোজা গাড়ি ভাড়া করে আসতে পারেন। তাতে চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা খরচ হয়ে যাবে। আর ভেঙে আসলে খরচ একটু কম পড়বে। প্রথমে শিলিগুড়ি থেকে শেয়ার গাড়িতে বিজনবাড়ি এসে সেখান থেকে আবার শেয়ার গাড়িতে রেলিং চলে আসুন। রেলিং থেকে একটু হেঁটে গেলেই পড়বে সেই অচেনা জায়গাটি। আরেকটি পথ হল দার্জিলিং থেকে বিজনবাড়ি হয়ে রেলিং। দার্জিিলং ঘুরে যদি কেউ আসতে চান সেটাও আসতে পারেন।












Click it and Unblock the Notifications