Travel: সিকিম তো অনেকবার গিয়েছেন, ঘুরে আসুন পাহাড়ি রাজ্যের এই অচেনা জায়গায়
উত্তরবঙ্গের পাশাপাশি এবার সিকিমেও পর্যটকের ঢল নেমেছে। সিকিম পর্যটন দফতরের যে পরিসংখ্যান রয়েছে তাতে দেখা গিয়েছে এবার প্রায় সাড়ে তিন লক্ষ পর্যটকের সমাগম হয়েছে সিকিমে। উত্তরবঙ্গের পর বাঙালির যে বেড়ানোর সেরা জায়গা এই সিকিম ।
বাঙালি পর্যটকরাই সারা বছর ভিড় করেন সিকিমে। শয়ে শয়ে পর্যটক সমাগম হয় এখানে। সিকিমে মূলত গ্যাংটক, উত্তর সিকিমের নাথুলা, ইয়ুমথাং লেক এই সব জায়গাতেই পর্যটকদের ভিড় বেশি। কিন্তু পূর্ব এবং পশ্চিম সিকিম এখনও অধরা পর্যটকদের। এই পশ্চিম সিকিমের একটি অববিট পর্যটন কেন্দ্র হল রানিধুঙ্গা।

পাহাড়বাসীর কাছে এটি একটি তীর্থস্থানও। এই রানি ধুঙ্গা শব্দের অর্থ হল রানি পাথর। এখানে একটি বিশালাকৃতি পাথর রয়েছে যাকে বলা হয় রানিধুঙ্গা। কথিত আছে এখানে নাকি মাতা সীতার পায়ের ছাপ রয়েছে। এখানে পাথরকের গায়ে একটি বিশাল ত্রিশূলও রয়েছে। আবার আরেকটি প্রচলিত তথা রয়েছে এখানে নাকি সিকিমের রানি লুকিয়ে থাকতেন। সিকিমে নেপাল এবং ভুটানের রাজা আক্রমণ করলে তিনি পালিয়ে গিয়ে আশ্রয় নিতেন এই পাহাড়ের খাঁজে। দুর্গম এই এলাকা যেতে পারত না শত্রুপক্ষ।
সিকিমের বাসিন্দারা ট্রেক করে পায়ে হেঁটে এখানে পৌঁছন। তেমন গাড়ি যাওয়ার রাস্তা এখানে নেই। কাজেই যাঁরা একটু ট্রেক করতে পছন্দ করেন তাঁদের পক্ষে দারুন একটা অ্যাডভেঞ্চার হবে তাতে কোনও সন্দেহ নেই। এই ট্রেকে ১৫ মিনিট সময় রাগে ২ কিলোমিটার চড়তে হয় পাহাড়ে।
এখানে বিশালাকৃতির পাথরের নীচে রয়েছে একটি গুহা। সেখানে নাকি লুকিয়ে তাকতেন সিকিমের রানি। নবরাত্রির সময় এখানে ভিড় হয়। স্থানীয়রা এখানে এসে পুজো করেন। এখানে স্থানীয়দের আনাগোনা থাকলেও পর্যটকরা খুব কমই আসেন। কারণ ট্রেক করে এই রানি দুঙ্গায় পৌঁছতে হয়। কাজেই আর দেরি না করে এই অফবিট লোকেশন এক্সপ্লোর করতে চলে আসুন।
যাঁরা সিকিমে যাওয়ার প্ল্যান করছেন তাঁদের জন্য এটা সেরা জায়গা তাতে কোনও সন্দেহ নেই। এবারের গরমের ছুটি জমে যাবে। ট্রেকংয়ের সঙ্গে রোমাঞ্চকর সব কাহিনী শুনতে পারবেন। তার সঙ্গে পাহা়ড়ের অমোঘ সৌন্দর্য। কোনওটাই ভুলতে পারবেন না।












Click it and Unblock the Notifications