Travel: পাহাড়ের কানে কথা বলে যায় ঝরনা, এই পাহাড়ি গ্রামের প্রেমে পড়বে না এমন পর্যটক মেলা মুশকিল
বর্ষা আসার আগে একবার ঘুরে নিন পাহাড়। দার্জিলিংয়ের ম্যালে এখন শয়ে শয়ে পর্যটক ঘুরে বেড়াচ্ছে। অফবিট ডেস্টিনেশনগুলিও সব প্রায় ভর্তি। এই পরিস্থিতিতে অনেকেই হয়তো ভাবছেন কোথায় যােবন। ঘুরে আসুন পাহাড়ের এক অফবিট লোকেশনে নেপাল সীমান্তের এই গ্রামে।
অসাধারণ তার প্রাকৃতিক শোভা। ছোট্ট এই গ্রামটির নাম রঙ্গিত মাজুয়া। নেপাল সীমান্তের এই গ্রামটি অবস্থিত মানেভঞ্জনে। শিলিগুড়ি থেকে যত এগোতে থাকবেন তত এর সৌন্দর্য বাড়তে শুরু করবে। কার্শিয়াং হয়ে এখানে পৌঁছতে হয়। কার্শিয়াংয়ে ব্রেক নিয়ে মোমোর স্বাদ নিতে পারেন।

টয়ট্রেনের লাইনের পাশ দিয়ে যাবে রাস্তা। মাঝ পথে টয় ট্রেনের দেখাও মিলতে পারে। সুখিয়া পোখরি থেকে রাস্তা আলাদা হয়ে গিয়েছে। ঘুম স্টেশনকে পাশে রেখে লেপচা জগত হয়ে পৌঁেছ যান নিজের ডেস্টিনেশনে। পাহাড়ে এখন মনোরম আবহাওয়া। রোদঝলমলে আকাশ তার সঙ্গে ঠান্ডা হাওয়া। লেপচা জগতে পাইনের জঙ্ঘল ঘুরে নিতে পারেন এখানকার পাইনেরক জঙ্গলে। লেপচা জগতের রাস্তা মুগ্ধ করবেই।
মানেভঞ্জন যাওয়ার রাস্তা থেকে নীচের দিকে একটি রাস্তা চলে গিয়েছে। সেই রাস্তা দিয়ে যেতে হয় রঙ্গিত মাজুয়া। যেতে একটু সময় লাগে। এখান থেকে অসাধারণ দেখায় কাঞ্চন জঙ্ঘা। যদিও গোটা পথ ধরেই কাঞ্চনজঙ্ঘা সঙ্গে সঙ্গে্ থাকবে। তবে নেপালের সীমান্ত লাগোয়া এই গ্রামে তার সৌন্দর্য একটু অন্যরকম। এখান থেকে নেপালের পাহাড়ও দেখা যায়। এক কথায় বিনা পাসপোর্টে বিদেশ ভ্রমণের অভিজ্ঞতা পাবেন এখানে। কাজেই আর েদরি না করে বেড়িয়ে পড়ুন। এখানে খুব বেশি পর্যটকের সমাগম হয় না। মোটের উপর নিরিবিলিতে কটা দিন কাটিয়ে দিতে পারবেন।
শেষবেলার গরমের ছুটিতে বেড়ানোর সেরা ডেস্টিনেশন এই রঙ্গিত মাজুয়া। সামনে পাহা়ড়ের খাত দিয়ে বয়ে গিয়েছে রঙ্গিত নদী। তার বয়ে যাওয়ার কুলু কুলু শব্দ শুনতে পাবেন। এই গ্রামে খুব একটা বেশি মানুষ বাস করেন না। গুটি কয়েক মাত্র হোমস্টে রয়েছে। সেকারণে আগে থেকে বুকিং করে আসাই ভাল। এখান থেকে সাইড সিইং হিসেবে নেপালের গ্রাম ঘুরে নিতে পারবেন। একটু পারমিট করিয়ে নিলেই হল।












Click it and Unblock the Notifications