Travel: পাহাড়ে হোক ছোট্ট আস্তানা, এমন ভাবনায় যাঁরা থাকতে চান চলে আসুন এক অচেনা গ্রামে
পাহাড়ে জঙ্গল তো অনেকেই ঘুরেছেন। কিন্তু রামপুরিয়া ফরেস্ট কি গিয়েছেন কখনও। অথচ ঘরের কাছেই রয়েছে সেই জায়গা। দার্জিলিং জেলার মধ্যেই পড়ে রামপুরিয়া ফরেস্ট। মিরিক, গোপাদারা টি গার্ডেন হয়ে সেখানে পৌঁছতে হয়।
এই জঙ্গলের গায়েই রয়েছে ছোট ছোট পাহাড়ি গ্রাম। তারমধ্যেই একটি হল রামপুরিয়া। সিঞ্চল ফরেস্ট রিজিয়নের মধ্যে পড়ে এই রামপুরিয়া । একেবারে অচেনা এই জায়গা। এখানে মোবাইলের টাওয়ারও খুব কম পাওয়া যায়। কাজেই একেবারে নির্ভেজাল ছুটি কাটানোর আদর্শ জায়গা এটি।

এনজেপি থেকে জোরবাংলো হয়ে আসা যায়। শেয়ার গাড়িতে এসে সেখান থেকে ছ মাইল হয়ে এই রামপুরিয়া আসা যায়। আবার সরাসরি এই রামপুরিয়াতে শিসিগুড়ি থেকে গাড়িতেও আসা যায়। একেবারে পাহাড়ি গ্রামের পরিবেশ এখানে পাবেন। একেবারে ঘরোয়া পরিবেশে থাকা খাওয়ার আয়োজন।
একেবারে অরগ্যানিক খাবারদাবার খেতে পাবেন এখানে। কাজেই একেবারে স্বাস্থ্যকর খাবার মিলবে এখানে। পাহাড়ি রান্নার স্বাদ নিতে উপভোগ করতে পারবেন এখানে। তার সঙ্গে জমিয়ে গল্প করা যায়। সামনে দিগন্ত বিস্তৃকত পাহাড়। একেবারে উপভোগ করার মতো জায়গা এটি।
এখান থেকে মাত্র ৪০ মিনিটের মধ্যে টাইগার হিল পৌঁছে যাওয়া যায়। কাজেই টাইগার হিলে সূর্যোদয় দেখতে হলে যে দার্জিলিংয়েই থাকতে হবে এমন কোনও কথা নেই। এখান থেকেও যেতে পারেন। যাঁরা ট্রেকিং করে যেতে পারেন তাঁরাও এখানে থাকতে পারেন।
হোমস্টের বারান্দায় বসে উপভোগ করুন অসামান্য পাহাড়ের সৌন্দর্য। মানে একেবারে নিছক ফ্যামিলি টাইম কাটাতে চাইলে এর থেকে ভাল জায়গা নেই। এখান থেকে দার্জিলিংয়ের দূরত্বও খুব বেশি দূরে নয়। দার্জিলিংয়ের মতো জমজমাট ভিড়ে ঠাসা জায়গা থেকে একটু আলাদা রকম জায়গায় থাকার মজাই আলাদা। বিশেষ করে এই অসহনীয় গরমে যখন জেরবার দশা হয়েছে দক্ষিণবঙ্গের বাসিন্দাদের। কলকাতা শহরের তাপমাত্রাই ৪২ ডিগ্রিতে প্রায় পৌঁছে গিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications