Travel: আর গরমের অত্যাচার সহ্য করতে হবে না, চলে আসুন পাহাড়ের এই ছোট্ট ঠিকানায়
ঘরের মধ্যে ঢুকে পড়বে মেঘ। গা ছঁয়ে চলে যাবে মেঘার দল। ভাবছেন মেঘালয়ের কথা। কিন্তু না একেবারে উত্তরকবঙ্গেই রয়েছে এমন একটি জায়গা। যাকে মেঘেদের ডেরা বললে ভুল হবে না। এই গরমে এমন একটি জায়গার নাম মনে আসতেই কেমন একটা িহমেল অনুভূতি শরীরে বয়ে যায়।
গরমের ছুটিতে যাঁরা পাহাড়ে যেতে চাইছেন তাঁদের জন্য এটা একেবারে আদর্শ ঠিকানা হতেই পাবে। পাহাড়ের চেনা স্পটগুলিতে এখন আর জায়গা নেই। দার্জিলিং, কালিম্পং, সিটং, অহলদারা থেকে শুরু করে একাধিক অফবিট পরিচিত স্পটগুলির সব বুকিং হয়ে গিয়েছে। কাজেই এখন পাহাড়ে যেতে হলে একেবারে আনকোড়া জায়গা ছাড়া গতি নেই।

উত্তরবঙ্গের গণ্ডি পেরিয়ে অনেকে সিকিমেও পারি জমিয়েছেন গরম থেকে বাঁচতে। কাজেই পাহাড় জুড়ে এখন ঠাঁই নাই ঠাঁই নাই পরিস্থিিত। তার মধ্যেও জেগে রয়েছে যে কয়েকটি আনকোড়া জায়গা তার মধ্যে একটি হল এই পুবুং ফটক। একেবারেই অচেনা নাম। পাবুংয়ের নাম অনেকেই শুনেছেন কিন্তু পুবুং ফটকের কথা অনেকেরই অজানা। একেবারে ছোট্ট পাহাড়ি গ্রাম এই পুবুং ফটক। গুটি কয়েক পরিবারের বাস।
এখানে মেঘেদের আনাগোনা একটু বেশি। সেকারণে কাঞ্চনজঙ্ঘার ক্লিয়ার ভিউ পাওয়া মুশকিল। প্রায় ৭০০০ ফুট উচ্চতায় রয়েছে এই গ্রামটি। দার্জিলিং শহর থেকে মাত্র ১৭ কিলোমিটার দূরে এই জায়গাটি। শিলিগুড়ি থেকে ঘুমে শেয়ার গাড়িতে এসে। সেখান থেকে সুখিয়া পোখরির শেয়ার গাড়িতে চলে আসুন পুবুং ফটকে। এখানে হোমস্টে ছাড়া থাকার জায়গা নেই। কাজেই আগে থেকে বুকিং করে আসাই ভাল।
এই পুবুং ফটক থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা পরিষ্কার দেখা যায়। এখানে এখন বসন্ত বললে ভুল হবে না। চারিদিকে ফুলের বাহার। রডোডেনট্রন থেকে শুরু করে রকমারি পাহাড়ি ফুলের দেখা মেলে এখানে। এই পুবুং ফটকের কাছেই রয়েছে পাইনের জঙ্গল। সেই জঙ্গল দিয়ে ভিউ পয়েন্টে চলে আসুন দেখতে পেয়ে যাবেন কাঞ্চনজঙ্ঘা। এখানে কাছেই রয়েছে একটি বৌদ্ধ মনেস্ট্রি। কাজেই ৪৫ ডিগ্রির গরম থেকে বাঁচতে চলে আসুন এই জায়গায়।












Click it and Unblock the Notifications