Travel: ঝিরিঝিরি বৃষ্টিতে সমুদ্র উপভোগ করতে চলে আসুন কলকাতার কাছেই এই সৈকতে
দিঘা, শঙ্করপুর, বকখালি এক ঘেয়ে হয়ে গিয়েছে। নতুন কোথাই যেতে ইচ্ছে করলে চলে আসুন কলকাতার কাছেই একেবারে অচেনা একটি সমুদ্র সৈকতে। যার নাম পাতিবুনিয়া সমুদ্র সৈকত। বকখালির কাছেই রয়েছে এই অফবিট জায়গাটি।
এখানে আসতে হলে খুব বেশি টাকা খরচ হয় না। আবার কলকাতা থেকে এর দূরত্বও বেশি নয়। ধর্মতলা থেকে বাস ধরতে হবে বকখালি যাওয়ার। দশমাইল বাজারে নামতে হবে। সেখান থেকে টোটো করেই চলে আসা যায় পাতিবুনিয়া সমুদ্র সৈকতে। আবার ট্রেনেও যাওয়া যায়। নামখানা লোকালে নামখানা স্টেশনে নেমে দশমাইল বাজারে আসতে হবে। সেখান থেকে টোটো করে আবার চলে আসা যায় পাতিবুনিয়া সৈকতে।

এই জায়গািট মৌসুনী দ্বীপের থেকেও ভাল। অনেকেই নদী পেরিয়ে মৌসুনী দ্বীপে যেতে ভয় পান। তাই এই জায়গাটি তাঁদের পক্ষে আদর্শ। একেবারে অফবিট জায়গা। সৈকতে ছোট ছোট বসার জায়গা রয়েছে। এখানকার সৈকত অনেকটা বেশি বিস্তৃত। রাতে আবার এখানে নাকি ডিজের ব্যবস্থা থাকে।
এখানে অবশ্য খুব বেশি থাকার জায়গা নেই। তিনটি রিসর্ট রয়েছে। আগে থেকে এখানে বুকিং করে আসাই ভাল। ছোট ছোট উঁচু উঁচু মাচার মতো করে এখানে বসার জায়গা তৈরি করা হয়েছে। সমুদ্রের উত্তাল ঢেউ পাড়ে এসে ভাঙতে দেখে সারাটা দিন কাটিয়ে দেওয়া যায়।

সমুদ্রের জল এনেকটা ভেতরে প্রবেশ করে গিয়েছে এখানে। সমুদ্রের উচ্ছাস এখানে তেমন নেই। অনেকটা ধীর সমীহ ভাবেই এখানে সৈকতে ঢেউ ভাঙতে থাকে। সমুদ্রের পাড় ধরে হাঁটতে বাইক রাইডিং করতে অসাধারণ লাগে। রাতে ফুরফুরে হাওয়ায় অনেকটা সময় কাটিয়ে দেওয়া যায়। সমুদ্রের গর্জন শুনতে শুনতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটিয়ে দেওয়া যায়।
এখান থেকে বকখালির হারবারের পাশের জঙ্গলে ঘুরে আসা যায়। সেখানে নাকি হরিণ দেখা যায়। আবার শীতকালে এই সৈকতে হরিণের দেখা মেলে। একেবারে অসাধারণ অদ্ভুত একটা সুন্দর জায়গা। ভাগ্য ভাল থাকলে এখানে হরিণের দেখা মিলতে পারে। সপ্তাহান্তের ছুটিতে পরিবারকে নিয়ে সময় কাটানোর বেশ অফবিট জায়গা। আবার বন্ধুরা মিলেও ঘুরে আসতে পারেন।












Click it and Unblock the Notifications