Travel: ধাপে ধাপে ফলে রয়েছে সোনালি ধান, চলে আসুন ইন্দো-ভুটান সীমান্তের এই পাহাড়ি গ্রামে
পাহাড়ে ছোট্ট একটা বাড়। উঠোন জুড়ে প্রচুর ফুলের গাছ। এমন স্বপ্ন বোধ হয় ৯০ শতাংশ বাঙালি পর্যটকেই দেখে থাকে। উত্তরবঙ্গ নামেই তাঁদের কাছে একটা স্বপ্নের জগত। তবে উত্তরবঙ্গবাসীর কাছে সেটা কতটা সত্যি তা বলা মুশকিল। তবে এটার সঙ্গে একেবারে একাত্ম হতে পারেন দক্ষিণবঙ্গের মানুষ।
সেকারণে বারবার তাঁরা ছুটে যান উত্তরবঙ্গে পাহা়ড়ে। পাহাড় যেন চুম্বকের মত তাঁদের টেনে নিয়ে যায়। এখন আবা্র দার্জিলিং, কালিম্পং, কার্শিয়াংয়ের ভিড়ের থেকে বেশি নিরিবিলি শান্ত জায়গায় যেতে চাইছেন সকলে। কোনও না কোনও পাহাড়ি গ্রামে কটা দিন নিরিবিলিতে কাটাতে চাইছেন।

সেরকমই একটি ছবির মতো সুন্দর গ্রাম প্যারেন্টার। পাহাড় এবং তরাইয়ের সু্ন্দর মেলবন্ধন হয় এখানে। অনায়াসে এখানে এসে কটা দিন কাটিয়ে যেতে পারেন। কালিম্পং জেলার গরুবাথান ব্লকের মধ্যে পড়ে এই প্যারেন্টার। গ্রামের চারপাসে সোনালি ধানের খেত। তার মাঝে ছোট্ট একটা কটেজ। সেখানেই থাকার জায়গা। ঠিক যেমনটা স্বপ্নে দেখে থাকেন বাঙালি। পাহাড়ে ছোট্ট বাড়ি।
ছুটির কটাদিন এই বাড়িটাকেই আপন করে ভেবে িনন। সামনে এক ফালি উঠোনে চা-জলখাবার- মধ্যাহ্নভোজন সবটাই সারতে পারবেন। সকাল থেকে সন্ধে এই একফালি উঠোনেই কাটিয়ে দিতে ইচ্ছে করবে। চারিদিকে সবুজ ধানখেত। আর দূরে সবুজ পাহাড়। যেন সিনেমার পর্দায় ফুটে ওঠা কোনও স্বপ্নের জায়গা। কাছেই আবার নদীও রয়েছে। সেই নদীর পাড়েও বেশ কয়েক ঘণ্টা কাটিয়ে দিতে পারবেন।
শিলিগুড়ি থেকে প্যারেন্টারের দূরত্ব ১০০ কিলোমিটার। আসতে সময় লাগে চার ঘণ্টার মতো। এই গ্রাম থেকে যে পাহাড় দেখা যায় সেটি ভুটান পাহাড়। অর্থাৎ গ্রামের আরেক প্রান্তে রয়েছে ভুটান। নদীর পাড়ে পড়ে থাকা বড় বড় পাথরে অনেকটা সময় বসে কাটিয়ে দেওয়া যায়।












Click it and Unblock the Notifications