Travel: এখানে পাঁচটি কুণ্ডর মধ্যে অবস্থান করেন মহাদেব, কলকাতার কাছেই বেড়িয়ে আসুন এই শৈবতীর্থ থেকে
পর পর পাঁচটি কুণ্ড। সেই পাঁচটি কুণ্ডে অবস্থান করেন মহাদেব। প্রতিবেশী রাজ্য ওড়িশাতেই রয়েছে এই শৈবতীর্থ। যার নাম পঞ্চলিঙ্গেশ্বর। শুধু তীর্থ নয় এখানকার প্রকৃতিক সৌন্দর্যও অসাধারণ। শ্রাবণ মাসে এখানে ভিড় বেশি হয়। সেকারণে তার আগে অথবা তার পড়ে বেড়িয়ে আসা ভাল।

পঞ্চলিঙ্গেশ্বর
নীলগিরি পর্বতের কোলে রয়েছে এই শিব তীর্থ যার নাম পঞ্চলিঙ্গেশ্বর। প্রতিবেশী রাজ্য ওড়িশায় রয়েছে এই শিব তীর্থ। পাহাড়ের উপর থেকে নেমে আসে নদী। বর্ষার জলে সেই নদী পুষ্ট হয়ে ওঠে। সেসময় আরও সুন্দর হয় তার দৃশ্য। এই নদী থেকে জল নিয়েই শিবের মাথায় জল ঢালতে যান ভক্তরা। পাহাড়ের একেবারে চূড়ায় রয়েছে সেই মন্দির।

শিব তীর্থের বিশেষত্ব
এই শিবতীর্থের বিশেষত্ব হল এখানে কোনও স্থায়ী মন্দির নেই শিবের। রয়েছে পাঁচটি কুণ্ড। এই পাঁচটি কুণ্ডের প্রতিটিতে একটি করে শিবলিঙ্গ রয়েছে। এখান থেকে ৭৫ কিলোমিটার দূরে রয়েছে দেবকুণ্ড। সেখান থেকেও ভক্তরা জল নিয়ে আসেন শিবের মাথায় ঢালার জন্য। শ্রাবণ মাসে ভক্তরা ভিড় করেন এই মন্দিরে। সেসময় এখানে বিশেষ পুজো হয়। েমলা বসে।

অম্বিকা মাতার মন্দির
এই মন্দিরের কাছেই রয়েছে অম্বিকা মাতার মন্দির। জঙ্গলের মধ্য দিয়ে গিয়েছে সেই মন্দির। সেখানে একটি জলপ্রপাতও রয়েছে। বিপুল বেগে সেই জলধারা পাহাড় থেকে নামছে। একটি জলাশয়ও রয়েছে সেই ঝরনার কাছে। তার উপরে রয়েছে অম্বিকা মাতার মন্দির। এখান থাকা যাওয়া যায় কুলডিহা। যাঁরা পাখি দেখতে ভালবাসেন তাঁদের আদর্শ জায়গা কুলডিহা।

কীভাবে যাবেন
পঞ্চলিঙ্গেশ্বর যেতে হলে হাওড়া, শালিমার এথবা সাঁতরাগাছি স্টেশন থেকে ওড়িশাগামী ট্রেন ধরতে হবে। বালেশ্বর স্টেশনে নামতে হবে। বালেশ্বর স্টেশন থেকে ৩১ কিলোমিটার দূরে রয়েছে পঞ্চলিঙ্গেশ্বর মন্দির। অটো ভাড়াও পাওয়া যায়। আবার গাড়ি ভাড়া করেও যেতে পারেন। যেতে ১ ঘণ্টা সময় লাগে। এখানে অনেক হোটেল রয়েেছ থাকার জন্য।
ছবি সৌ:ফেসবুক












Click it and Unblock the Notifications