Travel: পাহাড় নয় পাহাড় ভাঙা, কলকাতা থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরেই রয়েছে এই অফবিট পর্যটন কেন্দ্র
পাহাড়ে যেতে এখন অনেকেই ভয় পাচ্ছেন তাই কলকাতার কাছে পিঠে ঘুরে আসুন এই জায়গা থেকে। যার নাম পাহাড় ভাঙা। পশ্চিমবঙ্গের পাশের রাজ্য ঝাড়খণ্ডে রয়েছে এই জায়গাটি। কলকাতা থেকে মাত্র ৪ ঘণ্টা ট্রেন যাত্রা করলেই এখানে পৌঁছে যাওয়া যায়।
টাটা নগর স্টেশনে নামতে হবে এখানে েযতে হবে। বন্দে ভারতও রয়েছে টাটা নগর যাওয়ার জন্য। টাটা নগর স্টেশন থেকে গাড়ি বা অটো ভাড়া করে চলে আসুন পাহাড় ভাঙা। টাটানগর থেকে খুব বেশি দূরে নয় এই পাহাড় ভাঙা। এখানে রয়েছে গোলপাহাড়ি মন্দির। আড়াইশো সিঁড়ি চড়ে এই গোলপাহাড়ি মন্দিরে যেতে হয়।

স্থানীয়দের বিশ্বাস এই মন্দিরে প্রার্থনা করলে মনস্কামনা পূর্ণ হয়। এই গোলপাহাড়ি মন্দির থেকে গোটা জামশেদপুর শহরের সুন্দর ল্যান্ডস্কেপ দেখা যায়। গোলাকার পাহাড়ের চূড়ায় মন্দির বলে একে বলা হয় গোলপাহাড়ি মন্দির। তারপরে আসল গন্তব্যে পৌঁছে যাবেন। যার নাম পাহাড় ভাঙা। মেঠো পথ ধরে গাড়ি ছুটবে।
এখানে এলে মনে হবে কোনও কাশবনে দাঁড়িয়ে রয়েছেন। চার পাশে কেবল কাশফুলের জঙ্গল। শরতেন নীল আকাশ আর কাশ ফুলের মাঝে দাঁড়িয়ে থাকতে অসাধারণ লাগে। এতো কাশফুল একসঙ্গে অনেকেই দেখেননি কখনও। টাটা নগর থেকে পাহাড় ভাঙার দূরত্ব ১৭ কিলোমিটার। কাজেই খুব বেশি দূরে নয়।

পাথুরে পাহাড়ের মাঝ দিয়ে বয়ে গিয়েছে নদী। একেবারে সিনেমাটিক জায়গা। পাহাড়ের নীচে কুলকুল শব্দে বয়ে যায় নদী। স্থানীয়দের কাছে এটি একটি জনপ্রিয় িপকনিক স্পট। তখন আবার নদীদে জল অনেকটা কমে যায়। তাই বর্ষার পর পরেই এখানে আসা ভাল। নদীর পাড়েও কাশ ফুলের জঙ্গল দেখা যায়। নদীর এক পাড়ে জঙ্গলও দেখা যায়। বেশ একটা রোমাঞ্চকর একটা অনুভূতি হবে এখানে এলে। বসন্তে লাল হয়ে যায় এই গোটা এলাকা। চারিদিকে পলাশ গাছ রয়েছে।
এই পাহাড় ভাঙা দেখার পর ঘুরে আসতে পারেন রনকিনি দেবীর মন্দির। কথিত আছে এখানে নাকি একটা সময়ে নরবলি হতো। ঝাড়খণ্ডের জাগ্রত কালী মন্দিরগুলির মধ্যে অন্যতম এটি। মন্দির চত্ত্বর বেশ পরিচ্ছন্ন এবং শান্তিপূর্ণ। একেবারে জঙ্গলের মধ্যে রয়েছে মন্দিরটি।












Click it and Unblock the Notifications