Travel: ঝিলিমিলি-মুকুট মনিপুর তো অনেকেই গিয়েছেন, এই বর্ষায় ঘুরে আসুন বাঁকুড়ার এই অফবিট লোকেশনে
লালমাটির দেশে অরণ্যে দিন যাপন। অগাস্টের রিমঝিম বর্ষায় একে বারে জমে ওঠা উইকেন্ড বললে ভুল হবে না। কিন্তু ডেস্টিনেশনের নাম কি। পরিচিত নাম বলাই বাহুল্য। অনেকেই গিয়েছেন সেই জেলায়। কিন্তু এই অফবিট ডেস্টিনেশনে কেউ যাননি বলেই মনে হয়।
কারণ লোকেশনটা খুব বেশিদিন হল পর্যটন মানচিত্রে যুক্ত হয়নি। কাজেই এখানে গেলেও এই অফবিট লোকেশনে কেউ যাননি। জেলার নাম বাঁকুড়া। আর জায়গাটি বাঁকুড়া জেলার জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রের খুব কাছে। জায়গাটির নাম বৈষ্ণবপুর। সেখানেই রয়েছে অরণ্যবিকতান। যেখানে গেলে বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরণ্যক উপন্যাসের পরিবেশ।

খব বেশিদিন হয়নি এই লোকেশনটি তৈরি হয়েছে। একদিকে বাঁকুড়ার জঙ্গল। তারসঙ্গে পাহাড় উভয়ের ভাইবসই রয়েছে এখানে। ট্রেনে আসতে হলে নিকটবর্তী স্টেশন ঝাড়গ্রামে নামলেই হবে। সেখান থেকে গাড়িতে চলে আসা যাবে। আবার বাঁকুড়া হয়েও আসতে পারেন। আর কলকাতা থেকে সরাসরি গাড়িতে এলে ঘণ্টা পাঁচেক সময় লাগবে।
একেবারে জঙ্গলের মাঝে মাটির ছোট ছোট কটেজ। প্রত্যেকটি কটেজের সামনে মাটির বারান্দা। সামনে সবজি থেকে ফুল সব গাছের বাগান। তবে ভেতরে এসি থেকে সবরকম সুবিধা রয়েছে। রিসর্টের কাছেই রয়েছে শাল-পিয়ালের জঙ্গল। সে এক অসম্ভব সুন্দর পরিবেশ। বর্ষায় রুক্ষ শুষ্ক লালমাটির জঙ্গল আরও সবুজ হয়ে ওঠে। জঙ্গলের মধ্যে আবার ছোট ছোট টিলা পাহাড়ও রয়েছে।
যাকে বলা হয় বানাডুংরি। যেখানে বিকেলটা বেশ পাথুরে টিলায় বসে জমিয়ে আড্ডা দিতে পারবেন। তার সঙ্গে সুন্দর একটা ভিউ পাওয়া যায়। চারিদিকে নিস্তব্ধ পরিবেশ তার মধ্যে পাখির ডাক শোনা যায়। আদিবাসীদের গ্রাম মুগ্ধ করবে। নিরিবিলিতে সপ্তাহান্তের কয়েকটা দিন এখানে কাটাতে চাইলে চলে আসুন। কম খরচে বেড়ানোর নতুন জায়গা।












Click it and Unblock the Notifications