মিরিক তো সকলেই যান কখনও ঘুরে দেখেছেন চা-বাগিচার গ্রাম নলদারা
দার্জিলিং গিেয়ছেন কিন্তু মিরিক যাননি এমন ব্যক্তি খুব কমই রয়েছেন। মিরিক লেকে বোটিং, মিকিকের চা-বাগানে ফটো সেশন, সেলফি কে না তুলেছেন। সে হিসেবে দেখতে েগলে পাহাড়ি সৌন্দর্য থাকলেও মিরিকে পর্যটকের ভিড় একটু বেশি। যাঁরা একটু নিরিবিলিতে থাকতে চান তাঁদের জন্য অপেক্ষা করছে মিরিকের কাছেই ছোট্ট গ্রাম নলদারা।
দার্জিলিং মানেই মিরিক। সাইড সিইং এর একটা দিন মিরিকের জন্য বরাদ্দ থাকেই। ঢালু রাস্তায় গাড়ির চড়াই উতরাই পথ। তার মাঝেই গাড়ি দাঁড় করিয়ে চা-বাগানে ঘুরে বেড়ানো ছবি তোলা, সেলফি তোলা। সকলের অ্যালবামেই মিরিকের চা-বাগানে দাঁড়িয়ে ছবি একটা না একটা রয়েইছে। মিরিক লেকে বোটিং থেকে শুরু করে ছোঁয়া ওঠা ম্যাগি খাওয়া সবই হয়।

মিরিক ঘুরতে ঘুরতে যাঁদের একঘেয়ে হয়ে গিয়েছে তাঁরা বেড়িয়ে আসুন মিরিকের কাছেই এই নলদারা গ্রাম থেকে। আর এনজেপি থেকে নলদারা গ্রাম যাওয়ার রাস্তাটা আরও সুন্দর। মুক্তি বস্তি পেরিয়ে গাড়ি ধাপে ধাপে পাহাড়ে ওঠে। মুক্তি বস্তি থেকে ৪ কিলোমিটার দূরে নলদারা গ্রাম। গ্রাম জুড়ে কেবল চা-বাগান। তার মাঝেই ছোট ছোট বাড়ি। সাজানো বাগান।

নলদারা গ্রামে চায়ের বাগান ছাড়াও রয়েছে সুন্দর একটা ভিউ পয়েন্ট। তিস্তার পাড়ে সূর্যাস্তের অসাধারণ দশ্য দেখা যায়। এমনকী নেপাল সীমান্তও এই ভিউ পয়েন্ট থেকে দেখা যায়। রাতের সৌন্দর্য আরও সুন্দর। দূরের পাহাড়ে যেন শত সহস্ত্র আলো জ্বলে উঠেছে। তিনদিক জুড়ে কেবল আলোর রোশনাই। অসাধারণ সেই ভিউ।

এখানে একেবারে অরগ্যানিক খাবার পাওয়া যাবে। এখানকার হোমস্টে গুলিতে বিলাসিতার কিছু না থাকলেও গ্রামের সাদামাঠা পরিবেশ এখানে দেখা যায়। গ্রামবাসীরা আপন করে নেন অতিথিদের। গ্রামের রাস্তা আর চা বাগানে ঘুরেই একটা দিন কেটে যাবে। এখান থেকে মিরিকও যাওয়া যায়। কাজেই কেবল গ্রামে ঘুরেই কাটিয়ে দিতে হবে সারাটা দিন এমন ভাবার কোনও কারণ নেই।
ছবি সৌ:ফেসবুক












Click it and Unblock the Notifications