Travel: ধসে বন্ধ রাস্তা! পর্যটকদের কথা ভেবে তৈরি হচ্ছে বিকল্প রাস্তা, কবে থেকে শুরু জেনে নিন
বর্ষায় দার্জিলিংয়ের যাওয়ার কথা অনেকেই ভুলেও ভাবতে চাননা। আবার অনেকে বেেছ বেেছ বর্ষাকালেই যেতে চান। আসলে সব ঋতুতেই পাহাড়ের একটা আলাদা সৌন্দর্য থাকে। যেটা একেবারেই একঘেয়ে নয়। সব ঋতুতেই বর্ষার আলাদা আলাদা রূপ রয়েছে। পর্যটকরা যাতে বর্ষাতেও নিরাপদে পাহাড়ে যেতে পারেন সেজন্য তৈরি হবে বিকল্প রাস্তা।
জিটিএ-র পক্ষ থেকে এমনই ঘোষণা করা হয়েছে। দার্জিলিং হয়ে সিকিমেও যাওয়া যায়। কিন্তু প্রতিবছর বর্ষার কারণে ধস নামে পাহাড়ের কোনও না কোনও জায়গায় ধস নামে। আটকে পড়েন পর্যটকরা। এই বিকল্প রাস্তা তৈরি হলে সবচেয়ে বেশি সুবিধা হবে পর্যটকদের। সেকারণেই এই পরিকল্পনা করা হয়েছে।

১১কোটি টাকা খরচ করে সেই রাস্তাটি তৈরি করা হবে। ১৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রাস্তাটি তৈরি হলে সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবেন পর্যটকরা। ইতিমধ্যেই সিকিমে ট্রেন চালানোর কাজ দ্রুত গতিতে শেষ করা হচ্ছে। ৫৫ নম্বর জাতীয় সড়কে ট্রেন এবং রাস্তা একসঙ্গে রাখার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

ঘুম থেকে লেবং হয়ে দার্জিলিংঙে যাওয়ার নতুন রাস্তা তৈরি করা হবে। দার্জিলিঙে যাওয়ার জন্য এখন যে রাস্তাটি বেশি ব্যবহার করা হয় সেটি হল শিলিগুড়ি থেকে রোহিনী হয়ে পাঙ্খাবাড়ি রোড, ৫৫ নম্বর জাতীয় সড়ক হয়ে দার্জিলিঙে পৌঁছনো যায়। কার্শিয়াং থেকে রাস্তা আবার খুবই সরু হয়ে যায়। তার কারণে তীব্র যানজট তৈরি হয়। পর্যটকদের গাড়ি দীর্ঘক্ষণ আটকে থাকে। আবার কার্শিয়াং থেকে ঘুম বাতাসিয়া হয়ে দার্জিলিঙে ঢোকার রাস্তাও খুব সংকীর্ণ এবং সেখানেও তীব্র যানজট তৈরি হয়।

দার্জিলিং রোডে লম্বা গাড়ির লাইন পড়ে। আবার কালিম্পং থেকে তিস্তা জোর বাংলো হয়ে দার্জিলিংয়ে যাওয়া যায়। কিন্তু এই বিকল্প রাস্তা ঘুমের কাছে তিন মাইল থেকে শুরু হবে। ঘুম থেকে একটি রাস্তাই দার্জিলিং যায়। লেবং হয়ে আরেকটি রাস্তা তৈরি হলে পর্যটকদের হয়রানি বন্ধ হবে।












Click it and Unblock the Notifications