অবিকল চাঁদের মাটি, ফেব্রুয়ারির হালকা শীতে আপনজনকে নিয়ে একান্তে কাটাতে ঘুরে আসুন মুনল্যান্ড
শীতল মরুভূমির দেশ লাদাখ। একেবারে রুক্ষ-শুষ্ক তার আবহাওয়া। তার সঙ্গে প্রবল ঠান্ডা। যদিও ফেব্রুয়ারি মাসে অনেকটাই কম থাকে লাদাখের আবহাওয়া। যাঁরা একটু অ্যাডভেঞ্জার প্রেমী তাঁদের কাছে লাদাখ যাওয়াটা একটা স্বপ্ন পূরণ হওয়ার মতো।
সামনেই ফেব্রুয়ারি মাস। শীত অনেকটাই কমে যাবে বসন্তের আগমন বার্তা নিয়ে রুখ শুষ্ক লাদাখও যেন রোমান্টিক হয়ে ওঠে। লাদাখে দেখার জিনিসের অভাব নেই। সবটাই অবশ্য এর প্রকৃতিকে কেন্দ্র করে। জানেন কি এই লাদাখের রয়েছে মুনল্যান্ড বা চাঁদের ভূমি। অবিকল চাঁদের মাটির মতো এর ভূমিরূপ।

এই চাঁদের মািট দেখতে দূরদূরান্ত থেকে পর্যটকরা আসেন। আপনার সঙ্গী যদি একটু অ্যাডভেঞ্জার প্রেমি হন তাহলে ঘুরে আসতে পারেন এমন সুন্দর একটি জায়গা থেকে। বিশেষ করে বসন্তের হাওয়া গায়ে মেখে পাহাড়ি পথে চাঁদের মাটি দেখতে মন্দ লাগবে না। চাঁদের মাটি দেখতে যেতে হলে লাদাখের লামায়ুরুর পথে। কার্গিল থেকে পড়ে সেই জায়গা। আর কার্গিলের নাম তো আমাদের সকলের চেনা।
কাজেই চাঁদের মাটি দেখার পথে কার্গিল দেখে নিতে পারবেন। সেখানে রয়েছে হল অব ফ্রেম। সেখানে ভারতীয় সেনার সংরক্ষণশালা রয়েছে। সেটা ঘুরে নিয়ে চলে আসুন লাদাখের প্রয়াগে যেখানে সিন্ধু আর জাঁসকর নদীর মিলন হয়েছে। সেই সঙ্গমস্থল দেখতে পাবেন। স্পষ্ট বোঝা যায় দুটি নদী সেখানে মিলিত হচ্ছে।
ধীরে ধীরে লামায়ুরুর দিকে এগিয়ে যেতে যেত মিলবে সেই চাঁদের মাটি। লামায়ুরুর ২০ কিলোমিটার আগেই রয়েছে সেই সুন্দর জায়গাটি। যার ভূমিরূপ অবিকল চাঁদের মতো। বাতাসে মাটি ক্ষয়ে ক্ষয়ে তৈরি হয়েছে এই ভূমিরূপ। বিকেসে সেই মুনল্যান্ড সম্মোহন জাগায়। মায়াবী হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। এই রোমান্টিক জায়গার আসতে হলে ফেব্রুয়ারি সেরা। লামায়ুরুতেই রয়েছে গেস্ট হাউস। সেখানেই থাকার সুযোগ রয়েছে। সেখান থেকেও চাঁদের মাটির অসাধারণ দৃশ্য উপভোগ করা যায়।
লামায়ুরু থেকে কার্গিল আরও বেশ খানিকটা দূরে। লামায়ুরুতে একটি বৌদ্ধ গুম্ফাও রয়েছে। কার্গিল থেকে ফাতুলা নামে একটি জায়গা রয়েছে। সেখান থেকে এই মুনল্যান্ডের দৃশ্য অসাধারণ লাগে দেখতে। কাজেই ফেব্রুয়ারির পড়ন্ত শীতে ঘুরে আসুন একেবারে চাঁদের মাটি থেকে।












Click it and Unblock the Notifications