Travel: দার্জিলিং পাহাড়কে সাক্ষী রেখে সকালের চা-পান, এমন একটা জায়গায় থাকতে চান চলে আসুন এই লোকেশনে
গরমে হাসফাঁস করছে দক্ষিণবঙ্গ। পশ্চিমের তিন জেলায় তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। অন্যান্য জেলা গুলিতে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছে যাবে। এমনই পূর্বাভাস গিয়েছে হাওয়া অফিস। এখনই এসি ছাড়া রাতে ঘুমোতে পারছেন না কেউ। দিনের বেলাতেও চলছে এসি।
এই গরম থেকে বাঁচতে উত্তরবঙ্গ ছাড়া গতি নেই। সেখানে এখন মনোরম আবহাওয়া। বৃষ্টি তো হচ্ছে তরাইয়ে। পাহাড়ে বেশ সুন্দর আবহাওয়া। দক্ষিণবঙ্গের ভ্যাপসা গরম থেকে বাঁচাতে হলে এখুনি ব্যাগপত্র গুছিয়ে বেড়িয়ে পড়তে হবে। যাঁরা বেড়াতে যেতে আগ্রহী এই সময়ে তাঁদের জন্য অপেক্ষা করছে উত্তরবঙ্গের একেবারে অচেনা এই জায়গা। যেখান থেকে দেখা যায় দার্জিলিং পাহাড়।

একেবারে সামনেই কাঞ্চনজঙ্ঘা। এখান থেকে সিকিমের নামচিও দেখা যায়। এই জায়গাটির নাম মিনারেল স্টিল ভিলেজ। এখানকার কমলালেবু হার মানাবে সিটংকেও। গ্রামের প্রত্যেকটি বাড়িতে রয়েছে কমলালেবুর গাছ। তাতে ফলে থাকে কমলালেবু। নভেম্বর িডসেম্বর মাসে এখানে ফলে ফরে থাকে।
এখানে সকালে ঘুম ভাঙবে পাখির ডাকে। হোমস্টের জানলা খুলেই দেখতে পাবেন কাঞ্জনজঙ্ঘা। চারিদিকে নিস্তব্ধতা আর পাখির ডাক শোনা যায়। চারিদিকে গাছের সমাহার। গ্রামের সুইমিং পুলেও বেশ কিছুটা সময় কাটিয়ে নিতে পারবেন। এই গ্রামের যেদিকে তাকাবেন সেদিকেই ভিউ। তাই আলাদা করে ভিউ পয়েন্টে যাওয়ার প্রয়োজন হয় না।
আর এখানে আরেকটি বিশেষ অভিজ্ঞতা নিতে পারবেন। এখানকার হোমস্টেতে পাতার তৈরি থালায় খাবার দেওয়া হয়। পুরোটাই একেবারে পাহাড়ি খাবার। কাজেই মন ভাল করার পাশাপাশি স্বাদেও তৃপ্ত হয়ে যাবেন সকলে। এনজেপি থেকে লেবং যাওয়ার রাস্তা দিয়ে যেতে যেতে পড়বে মিনারেল স্প্রিং ভিলেজ। একেবারে অরগ্যানিক পরিবেশ বললে মন্দ হবে না।
এই গ্রামে ব্রিটিশ আমলের বেশ কয়েকটি বাড়ি দেখতে পাবেন। এখান থেকে দার্জিিলং অনায়াসেই ঘুরে আসা যায়। সন্ধেবেলা এখান থেকে অসাধারণ লাগে দার্জিলিং শহর। আলো ঝলমল করে দার্জিলিং পাহাড়। সে এক অনন্য দৃশ্য যা খুব কম জায়গা থেকেই দেখা যায়।












Click it and Unblock the Notifications