Travel: বসন্তে হিমেল হাওয়ার পরশ পেতে চান, চলে আসুন উত্তরবঙ্গের এই অফবিট লোকেশনে

বসন্তের ছুটি কাটাতে কেউ যাচ্ছেন পুরুলিয়া আবার কারোর পছন্দ সেই পাহাড়ই। কিন্তু দার্জিলিং ছাড়া আর কোথায় যাবেন পাহাড়ে বেড়াতে। যদিও এখন পর্যটনের অনেক অফবিট লোকেশনই তৈরি হয়েছে। দার্জিলিংয়ের হুজুগ এড়িয়ে পর্যটকরা সেইসব অফবিট ডেস্টিনেশনে পাড়ি দিচ্ছেন।

দোলের ছুটিতে বেড়িয়ে আসুন এমনই এক অচেনা জায়গায় যেখানে পাহাড় এবং জঙ্গল দুয়ের স্বাদই পাবেন। পাহাড়ি জঙ্গেলর অভিজ্ঞতার সঙ্গে ঝরনা উপভোগ করতে পারবেন। বড় বড় পাইন-দেবদারু গাছ তার মাঝে উঁকি দেবে তুষার শঙ্গ। এমনই এক অচেনা রোমাঞ্চকর জায়গা হল মাজুয়া ফরেস্ট।

Travel
Photo Credit: pexel

এখনও পাকাপাকি ভাবে ঠান্ডাটা বিদায় নেয়নি উত্তরবঙ্গ থেকে। পাহাড়ে ঠান্ডার বিদায় নেওয়া মানে আমাদের গায়ে একটা হালকা জ্যাকেট চড়াতে হবে। পাহাড়বাসীর কাছে অবশ্য একটা টি শার্টেই চলে যায়। যদিও এখন এপ্রিল-মে মাসে ভালই গরম পড়ে পাহাড়ে। দার্জিলিংয়ে পর্যন্ত ফ্যান ছাড়া থাকা যায় না। এখনও সেই পরিস্থিতি তৈরি হয়নি সেখানে। কাজেই শেষবেলার হালকা শীতের আমেজ উপভোগ করতে ঘুরে আসতে পারেন এই মাজুয়া ফরেস্টে।

জঙ্গলের মধ্যেই ছোট ছোট কাঠের কটেজে থাকার ব্যবস্থা। দিনের বেলাতেও সেখানে শোেনা যায় ঝিঁঝি পোকার ডাক। কানপাতলে শোনা যায় ঝরনার জলের শব্দ। সিঙ্গালিলা রেঞ্জের মধ্যে পড়ে এই মাজুয়া ফরেস্ট। কাঠেক ছোট ছোট কটেজের বাইরে দিয়েই বয়ে গিয়েছে ঝরনাটি। বসন্তোর রোমান্টিক ছুটি কাটানোর একটা আদর্শ জায়গা এই মাজুয়া ফরেস্ট।

এখানে আসার খরচও খুব বেশি নয়। এনজেপি থেকে শেয়ার গাড়ি ছাড়ে। সোজা দার্জিলিংয়ের চলে আসুন। দার্জিলিং থেকে সিঙ্গালিলার অনেক গাড়ি পাওয়া যায়। তাতে শেয়ারে অথবা গোটা একটা গাড়ি বুক করে চলে আসতে পারেন। বনদফতরের তৈরি ছোট ছোট কাঠের কটেজ। আগে থেকে সেকারণে বুক করে নিতে হয়। অনলাইনে বনদফতরের সাইট থেকেই বুকিং করা যায়। এক একটি কয়েজে চারজনের থাকার বন্দোবস্তও রয়েছে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+