Travel: কাঞ্চনজঙ্ঘার ক্লিয়ার ভিউ পেতে হলে চলে আসুন কালিম্পংয়ের কাছে মাইরুং গাঁওয়ে
দক্ষিণবঙ্গের থেকেও উত্তরবঙ্গে এখন মনোরকম আবহাওয়া। হেমন্তের পরশে সুন্দরী কাঞ্চনজঙ্ঘা হাতছািন দিয়ে ডাকছে। পুজোর ছুটি শেষ হলেও সামনেই রয়েছে কালীপুজোর ছুটি। তখন আরও একটু ঠান্ডা বাড়বে আবহাওয়ায়। আরও মনোরম হবে আবহাওয়া তাতে কোনও সন্দেহ নেই।
যদি কালীপুজোর ছুটিতে নতুন কোথাও বেড়াতে যেতে চান তাহলে চলে আসুন কালিম্পংয়ের কাছেই মাইরুং গাঁওয়ে। একেবারে অফবিট একটা জায়গা। অনেকটা উঁচুতে এই মাইরুং গাঁও। সেকারণে ঠান্ডাটা অন্য জায়গার থেকে একটু বেশিই অনুভূত হবে এখানে তাতে কোনও সন্দেহ নেই।

এখানে আসার পথে অনেকগুলি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র পড়বে। তার মধ্যে রয়েছে লাভা-রিশপ। শিলিগুড়ি থেকে এই মাইরুং গাঁওয়ের দূরত্ব প্রায় ৯৬ কিলোমিটার। সেকারণে একানে পৌঁছতে তিন থেকে সাড়ে তিন ঘণ্টা তো লাগবেই। আর যদি কালিম্পং থেকে আসতে চান তাহলে ৪৫ মিনিট পর্যন্ত সময় লাগে।
মাইরুং গাঁওয়ে আসার পথে ঘুরে িনতে পারেন লাভা এবং রিশপ। লাভা মনেস্ট্রিতে বেশ কিছুক্ষণ সময় কাটিয়ে নিতে পারেন। আবার এখানে আসার পথে ঘুরে নিতে পারেন সেখানে। রিশপেও বেশ কিছুদিন কাটিয়ে নিতে পারবেন। কাজেই ঘুরতে ঘুতেই চলে আসুন মাইরুং গাঁওয়ে।

এই জায়গার উচ্চতা একটু বেশি হওয়ার কারণে এখান থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘার ভিউ একেবারে পরিষ্কার দেখা যায়।
এখানে আসতে হলে একটু গরম পোশাক বেশি নিয়ে আসবেন। কারণ এই জায়গাটি অনেকটা উঁচুতে হওয়ার কারণে ঠান্ডাটা বেশি হবে। পাহাড়ের অন্যান্য জায়গায় যতটা ঠান্ডা তার থেকে বেশি ঠান্ডা এখানে পড়ে। সেকারণে গরম পোশাক আগে থেকে বেসি করে আনাই ভাল।
পাহাড়ের আবহাওয়ায় এখন সবচেয়ে মনোরম। এই সময় সবচেয়ে পরিষ্কার থাকে আকাশ। ঝকঝকে দেখা যায় কাঞ্চনজঙ্ঘা। রাতের আকাশেই কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা যায়। মাইরুং গাঁও থেকে অসাধারণ লাগে এই কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে। সকাল থেকে রাত্রি সব সময় কাঞ্চজঙ্ঘা উপভোগ করতে পারবেন। কাজেই আর দেরি না করে চলে আসুন এখানে। অসাধারণ লাগবে এখানে কাটিয়ে যান। কাজে ফেরার এনার্জি আরও কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেবে এই জায়গাটি।












Click it and Unblock the Notifications