Travel: পশ্চিমে হাওয়া বদল, শরীর মন দুই ভাল করতে কটা দিন ঘুরে আসুন কলকাতার কাছে এই জায়গায়
মধুপুর। জায়গাটি নাম পরিচিত। একটা সময়ে বাঙালি বাবুদের হাওয়া বদলের জায়গা ছিল ঝাড়খণ্ডের মধুপুর, গিরিডি, যোশিডি। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেখানকার জনপ্রিয়তা হারিয়ে গিয়েছে। তবে বাঙালি বাবুদের হাওয়া বদল করতে আসার ছাপ এখনও সেখানে রয়ে গিয়েছে।
মধুপুরে অসংখ্য বাংলো বাড়ি ছিল। সেগুলির মালিক একটা সময়ে ছিলেন বাঙালি বাবুরাই। তাঁরা সেখানে বাড়ি তৈরি করেছিলেন হাওয়া বদল করতে যাওয়ার জন্য। পুরনো বাংলা সিনেমায় দেখতে পাবেন অনেক ছবির শ্যুটিং এই সব জায়গায়। কলকাতা থেকে খুব বেশি দূরেও এই জায়গা। অনায়াসেই ট্রেনে চলে আসা যায়। গাড়িতে এলে প্রায় ৩০০ কিলোমিটার পাড়ি দিতে হবে।

ঝাড়খণ্ডের দেওঘর জেলার অংশ মধুপুর। এখানে হাওয়া বদল করতে আসতেন বাঙালি বাবুরা। শরীর খারাপ করলে এখানে থেকে যেতেন কয়েক মাস। এখানকার জলহাওয়া এতোটাই ভাল যে শরীর তো ভাল হবেই তার সঙ্গে মনটাও ভাল হয়ে যায়।
দিগ্ত বিস্তৃত বন্ধুর মাঠ আর মাঝে মাঝে একট দুটো তরে বাংলো বাড়ি। কয়েক বিঘে জমি নিয়ে তার বিস্তার। পুরনো দিনের বড় বড় খিলান দেওয়া বাড়ি তার সঙ্গে বাগান। এখানে এলে মনে পড়ে যাবে দাদার কীর্তি ছবির কথা। যদিও সেটির শ্যুটং হয়েছিল ম্যাকলাক্সি গঞ্জে। তবে মধুপুরেও অনেক বাংলা সিনেমার শ্যুটিং হয়েছিল।
মধুপুরের কাছেই রয়েছে গিরিডি। খুব বেশি দূরে নয়। মধুপুর থেকে ৫৩ কিলোমিটার দূরে। সেখােন রয়েছে বুড়াই পাহাড়। মালভূমির পাহাড় যেমনটা হয়। পাহাড়ের নীচেই রয়েছে বুড়াই নদী। বর্ষা ছা়ড়া এই নদীতে জল সারাবছর থাকে না। এখানে এলে আদিবাসী সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হতে পারবেন। কটা দিন মধুপুরে কাটিয়ে গেলে মনটা ভাল হয়ে যাবে। শরীর স্বাস্থ্যও ভাল হয়ে যাবে।












Click it and Unblock the Notifications