Travel: কাঞ্জনজঙ্ঘার ৩৬০ ডিগ্রি ভিউ, পাহাড়ের জন্য পাগল যাঁরা তাঁরা বেড়িয়ে আসুন সিল্করুটের এই উপত্যকায়
প্রকৃতির হার মেনেছে বাঙালির পাহাড় প্রেমের কাছে। তিস্তায় সেই ভয়াবহ রূপ দেখার পরেও কিন্তু উত্তরবঙ্গে এবার পর্যটকদের কোনও কমতি হয়নি। এমনকি সিকিমেও হয়নি। রাস্তা ঠিক মতো তৈরি না হলেও বেড়ানো বাতিল করেননি কেউ।
ভাঙা রাস্তা দিয়েই পৌঁছে গিয়েছে কাঞ্জনজঙ্ঘার টানে। যাঁরা এমন মাত্রার পাহাড় প্রেমী তাঁদের জন্য অপেক্ষা করছে সিকিেমর লুংচক ভ্যালি। পুরো সিল্করুটের অংশ এই উপত্যকা। এবার উত্তর সিকিমের রাস্তা খুব একটা ভালো না থাকায় অনেকেই পাড়ি দিয়েছিলেন এই সিল্ক রুটে।

আর এই পুরনো সিল্করুটেই পড়ে লুংচক ভ্যালি। অসাধারণ সু্ন্দর এক পাহাড়ি উপত্যকা। এখান থেকে কাঞ্জনজঙ্ঘার ৩৬০ ডিগ্রি ভিউ পাওয়া যায়। তার সঙ্গে রয়েছে সবুজের সমাহার। আর রংবাহারি ফুলের মেলা। লুংচক ভ্যালিতে নিরিবিলিতে কয়েকটা দিন কাটিয়ে আসতে পারেন।
এখানে আসতে হলে শিলিগুড়ি থেকে শেয়ার গাড়িতে প্রথমে রংপো আসতে হবে। তারপরে সেখান থেকে আবার শেয়ার গাড়িতে চলে আসুন লুংচক ভ্যালি। রংলি বাজার হয়ে চলে আসা যায় এখানে। লুংচকে গাড়ি রিজার্ভ করেও আসা যায়। পুজোর সময় একটু বেশি ভাড়া লাগে। রিজার্ভ গাড়িতে ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা সময় লাগে এখানে পৌঁছতে।
এই রংলি থেকে লুংচক যাওয়ার রাস্তা অসাধারণ লাগে। রংলি বাজার থেকে কিছুটা উপরে রয়েছে এই লুংচক উপত্যকা। একেবারেই নিরিবিলি একটা জায়গা। অসম্ভব সুন্দর এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। হোমস্টের ঘর থেকেই দেখা যায় কাঞ্চনজঙ্ঘা। কাছেই রয়েছে হেলিপ্যাড গ্রাউন্ড। সেখানে একটি কালীমন্দিরও রয়েছে। সেখানে সকাল সকাল হেঁটে আসতে পারেন। পশ্চিম সিকিমের এই লুংচকে মাত্র চারটি হোমস্টে রয়েছে। কাজেই আগে থেকে এখানে বুক করে আসা ভাল।












Click it and Unblock the Notifications