Travel: ড্রয়িং বুকে আঁকা কোনও পাহাড়ি গ্রাম যেন, ঘুরে আসুন উত্তরবঙ্গের এই অচেনা জায়গায়
শীতটা যাব যাব করেও যাচ্ছে না। ফের ঘুরে অসেছে। আবার হিমেল হাওয়া ঘরে ঢুকছে। শীত বেশিদিন থাকা মানেই প্রাণটা বেড়াতে যেতে চায়। সামনেই আবার ভ্যালেন্টাইনস ডে। আবার সরস্বতী পুজোও বটে। যাকে বলে একেবারে জমজমাট কম্বিনেশন।
এই সুযোগে দুটো দিন ছুটি নিয়ে টুক করে বেড়িয়ে পড়লেই হল। আর রোমান্টিক ডে-তে কোমান্টিক ডেস্টিনেশন হলে তো কথাই নেই। রোমান্সটা আরও জমে যাবে। কাজেই প্রিয়জনকে সঙ্গে নিয়ে চলে আসুন এই লোকেশনে যেখানে পাহাড়ের হাতছানি রয়েছে। আর বাঙালির অলটাইম ফেবারিট উত্তরবঙ্গ তো রয়েইছে।

এই উত্তরবঙ্গের সবচেেয় জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র দার্জিলিংয়ের কাছেই রয়েছে এমন একটি অফবিট লোকেশন যেখানে একেবারে ভিড় এড়িয়ে দুটো দিন কাটিয়ে যেতে পারবেন। জায়গাটির নাম লিংসেবং। দার্জিলিং জেলার মধ্যেই পড়ে এই লিংসেবং। ধোত্রে থেকে দেড় ঘণ্টা গালে এই লিংসেবং যেতে। আপার লিংসেবং এবং লোয়ার লিংসেবং দুটি ভাগ রয়েছে।
এই সময় আকাশ একেবারে ঝকঝকে পরিষ্কার থাকে। শিলিগুড়ি থেকে ঘুম-মানেভঞ্জন হয়ে ধোত্রে যেতে হবে। ধোত্রে থেকে লিংসেবং। পাহাড়ে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে জেগে উঠতে থাকে কাঞ্জনজঙ্ঘা। মিরিক হয়েএও আসা যায় এখানে। একটু উপরে অবস্থান এই লিংসেবংয়ের সেকারণে কাঞ্চনজঙ্ঘা এখান থেকে আরএ স্পষ্ট এবং উজ্জ্বল আর পরিষ্কার।
ধোত্রে থেকে যত লিংসেবংয়ের দিকে এগোবেন প্রকৃতি আরও মোহময় হয়ে উঠবে। একদিকে সবুজ জঙ্গল আরেকদিকে তুষার শৃঙ্খ পাহাড়। আবার সিকিমের পাহাড়ও দেখা যায় এখান থেকে। পাইনের জঙ্গল পেরিয়ে পৌঁছে যেতে হবে লিংসেবংয়ে। আবার মাঝে ফুলের দেখাও মিলবে।
কাকভোরে উঠে হোমস্টের ঘর থেকে উপভোগ করতে পারবেন দূরের কাঞ্চনজঙ্ঘা। সে এক স্বর্গীয় দৃশ্য। ধীরে ধীরে রোদের আলো রাঙিয়ে তোলে পাহাড়। সোনালি রোদ ছড়িয়ে পড়ে গোটা উপত্যকায়। একেবারে নিস্তব্ধ নিরিবিলি একটা জায়গা। সারাদিন গ্রামের পথে ঘাটে ঘুরে বেড়ান। ইউরোপীয় ভাষায় যাকে বলে ভিলেজ ওয়াক। যাতে জড়িয়ে থাকে প্রকৃতি আর রোমান্সের মেলবন্ধন। গ্রাম ঘুরতে ঘুরতে ক্ষিদে পেয়ে গেলে চলে আসুন হোমস্টেতে। দুপুরের খাওয়াদাওয়া সেরে ঝিমিয়ে নিন ঘরের সামনের বারান্দায়। তারপরে আবার পাহাড়ে সূর্যাস্তের শো।












Click it and Unblock the Notifications