Travel: মেঘ-বৃষ্টির খেলা দেখতে ছাতা হাতে বেড়িয়ে পড়ুন এই পাহাড়ি গ্রামের পথে
গরমের পড়ন্ত বেলায় ঘুরে আসুন পাহাড়ে। যাঁরা সাইট সিইংয়ের পিছনে না ছুটে একটু শান্তিতে নিরিবিলিতে কটাদিন কাটাতে চান। বা বলা চলে কয়েকটা দিল স্লো লিভিং করতে চান তাহলে ঘুরে আসুন এই অফবিট পর্যটন কেন্দ্রে। একেবারে অন্যরকম জায়গাটি। অথচ দার্জিলিংয়ের একেবারে কাছে।
পাহাড়ি এই গ্রামটির নাম লাঙ্গুরদাঙ্গ। এনজেপি থেকে পৌঁছতে সাড়ে চার ঘণ্টা সময় লাগে। আর দার্জিলিং থেকে মা্র ২ ঘণ্টার দূরত্বে রয়েছে এই লাঙ্গুরদাঙ্গ। সিকিমের জনপ্রিয় হিলস্টেশন পেলিংয়ের একেবারে কাছে। পেলিং থেকে মাত্র আধঘণ্টার মধ্যে এখানে পৌঁছে যাওয়া যায়।

কাজেই যাঁরা সিকিমের পেলিংয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন তাঁরা এই লাঙ্গুরদাঙ্গ হয়ে যেতে পারেন। আবার লাঙ্গুরডাং হয়ে পেলিং ঘুরে আসতে পারেন। ছোট্ট একটা নেপালি গ্রাম। গ্রামের বেশিরভাগ বাসিন্দাই নেপালি। এখানে একটিই থাকার জায়গা। ছোট্ট গ্রামে ছোট্ট একটা হোমস্টে। অসাধারণ জায়গাটি। না দেখলে বোঝানো মুশকিল।
এখানকার গ্রামবাসীদের প্রধানজীবীকা চাষাবাদা। বা়ড়িতে আবার গোপালনও করা হয়। আবার মাছ চাষও করেন তাঁরা। একেবারে ছবির মতো সুন্দর গ্রাম। গ্রামের পথে পথে ঘুরে বেড়াতে পারবেন। সন্ধে নামলে এখানে চারপাশের পাহাড় আলো ঝলমলে হয়ে ওঠে।
সকাল সকাল উঠে গ্রাম ভ্রমণে বেড়িয়ে পড়ুন। এই গ্রামেই রয়েছে কালিঝোড়া ঝরনা। এখান থেকে কালিঝোরার তৈরি হয়েছে। পরে সেটি রঙ্গিত নদীতে মিশেছে। গ্রামের আরেকটি ঝরনা রয়েছে। সেই ঝরনার নাম বীরগাঁও ঝরনা। এখান থেকে ধোত্রে ট্রেক করো পৌঁছতে পারবেন। মাত্র সাত কিলোমিটারের ট্রেক। এখান থেকে দার্জিলিংয়ের নাইট ভিউ অসাধারণ লাগে।
শিলিগুড়িতে রিজার্ভ গাড়িতে যেতে পারেন আবার শেয়ার গাড়িতেও যেতে পারেন। পেলিং থেকে যাওয়া সহজ হওয়ায় শেয়ার গাড়ি সহজেই পাওয়া যায়। শেয়ার গাড়িতে অনায়াসেই সেখানে পৌঁছে যাওয়া যায়। লাঙ্গুরদাঙ্গ কিন্তু শেষবেলার গরমের ছুটির ভাল ডেস্টিনেশন হতে পারে।












Click it and Unblock the Notifications