Travel: চা-বাগানের গা বেয়ে বয়ে চলেছে নদী, চলে আসুন চালসার এই অফবিট লোকেশনে
উত্তরবঙ্গ মানে শুধু হিমালয় নয়। উত্তরবঙ্গর আরেকটা দিক জুড়ে রয়েছে ভুটান পাহাড়। ভারত ভুটান সীমান্তের এলাকাগুলি অনেকেই দেখতে যান না। কিন্তু এই ভুটান পাহাড়ের কোলে যে ডুয়ার্সের একেরপর এক মনোহরা জায়গা রয়েছে সেটা খুব কম পর্যটকই জানেন।
চা-বাগান যাঁদের খুব পছন্দ তাঁদের জন্য ডুয়ার্স সবচেয়ে ভাল জায়গা। কারণ ডুয়ার্স জুড়ে কেবল চা-বাগানের ভিড়। যেখানে একাধিক বাংলা সিনেমা এবং ওয়েব সিরিজের শ্যুটিং হয়। সেই সব দর্শনীয় চা বাগান মুগ্ধ করবেই। সেই সঙ্গে রয়েছে এমন সব অচেনা ট্যুরিস্ট স্পট যেটা একেবারেই অনন্য।

এমনই একটি অনন্য সুন্দর জায়গা হল লালিগুরাস। উত্তরবঙ্গবাসীর চেনা পিকনিক স্পট হলেও সারাবছর এখানে আসা যায়। মূর্তি নদীর পাড়ে একেবারে ভুটান পাহাড়ের কোলে অসাধারণ একটি জায়গা। বর্ষার সময় তেমন ভিড় দেখা যায় না এখানে। তবে অক্টোবর মাস থেকে ধাপে ধাপে পর্যটকদের আনাগোনা বাড়তে থাকে।
চালসার খুব কাছেই রয়েছে জায়গাটি। লালিগুরাস জায়গাটি সামসিং টি এস্টেটের মধ্যে পড়ে। এখানে আসার পথটি সম্পূর্ণ চা বাগানের মধ্যে দিয়ে। একের পর এক চা-বাগান পেরিয়ে এখানে আসতে হয়। সেকারণে এখানে আসার পথটি আরও সুন্দর এবং মনোরম। সবুজ চাবাগানের বুক চিড়ে চলে গিয়েছে রাস্তা। ঠিক যেমনটা টেলিভিশনের কোনও ওয়েব সিরিজ বা সিনেমায় দেখা যায়।
সেই সিনেমাটিক রাস্তা পেরিয়ে চলে আসুন কুলকুল করে বয়ে যাওয়া পাহাড়ি মূর্তি নদীর পাড়ে। মনে যদি চড়ুইভাতির মুড থাকে তাহলে নদীতে ঝুপ করে ডুব দিয়ে স্নান করে ফেলুন। বেশ একটা হালকা ঠান্ডা জলে শরীরের সব ক্লান্তি নিমেষে উধাও হয়ে যাবে। তারপরে নদীর ধারের রেস্তোরাঁয় পেটপুরে খেয়ে নিন। খাওয়া সেরে ঘুরে বেড়ান নদীর পাড়ে। দুটো নুড়ি না হয় তুলে নিয়ে আসুন স্মৃতি হিসেবে।
রিভার বেড থেকে একটু উঁচুতে ভিউ পয়েন্ট। সেখানে বড় বড় করে লেখা আছে I LOVE SUMSING। ছবি তোলা আ রিলস বানানোর আদর্শ জায়গা। সেই উঁচু পাহাড় থেকে দূরের লালিগুরাস মুগ্ধ হয়ে দেখার সুযোগ পাবেন। তার সঙ্গে মূর্তি নদীর অবিরাম বয়ে চলা মুগ্ধ করবেই। ভুটান পাহাড়ের খাতে খাতে এঁকে বেঁকে বয়ে গিয়েছে মূ্তি নদী। অসাধারণ লাগে সেই দৃশ্য।












Click it and Unblock the Notifications