Travel: ডুডুমার গর্জন আর মাচকুন্দ নদীর জলাধার, কম খরচে বেড়িয়ে আসুন এই ওফবিট লোকেশন থেকে
পা বাড়ালেই যেখানে যাওয়া যায় সেরকমই একটা জায়গা ওড়িশা। বাঙালির প্রিয় পুরী রয়েছে এই ওড়িশাতেই। পুরী ঘুরতে গিয়ে বেড়িয়ে আসুন এই পর্যটন কেন্দ্র থেকে। পুরীর কাছেই রয়েছে কোরাপুট। প্রকৃতির সৌন্দর্য এখানে উজার করে দেওয়া হয়েছে।

কোরাপুট
ওড়িশার কোরাপুট, পাহাড়, জঙ্গল মালভূমি তিনের সহাবস্থানে তৈরি এই জায়গা। আদিবাসী জনজাতির বাস এখানে। ওড়িশাতেই এমনিতেই অসংখ্য জনজাতি বাস করে। কোরাপুটও এমন একটি জায়গা এখানে জনজাতির মানুষ বাস করেন। বর্ষায় আরও সুন্দর হয়ে ওঠে কোরাপুট। নদীতে জল ভরে ওঠে। রুক্ষ শুষ্ক বনাঞ্জল সবুজ হয়ে ওঠে।

ডুডুমার ডাক
ডুডুমার ডাক আমরা ছোটবেলায় পড়েছিল। সেই ডুডুমা রয়েছে এই কোরাপুটে। মাচকুন্দ নদীর জলপ্রপাত ডুডুমা। ১৭৫ মিটার উচ্চতা থেকে জল যখন পড়ে তখন একটি অদ্ভুত শব্দ হয় সেই শব্দকেই বলা হয় ডুডুমার ডাক। বাঙালি এই ডুডুমার ডাকের সঙ্গে ভীষণবাবে পরিচিত। এই ডুডুমার ডাক প্রত্যক্ষ করতে হতে আসতেই হবে এই কোরাপুটে। মাচকুন্দ নদী যেখানে জলপ্রপাত হয়ে পড়ছে তার কাছেই তৈরি হয়েছে বিশাল একটি জলাধার।

ওড়িশার উচ্চতম শৃঙ্গ
এই কোরাপুটেই রয়েছে ওড়িশার উচ্চতমশৃঙ্গ। তার নাম দেওমালি। ডুডুমা থেকে ৬০ কিলোমিটার দূরে রয়েছে এই দেওমালি পর্বত। সোজা গাড়ি উঠে যায় পাহাড়ের উপরে। সেখানে উঠে দেখা যায় চারপাশের অঞ্চলের সৌন্দর্য প্রত্যক্ষ করা যায়। এখানে পাওয়া যায় মিলেটের স্যুপ। অসাধারণ সেই স্যুপ। একবার খেলে তার স্বাদ ভোলা যায় না।

কীভাবে আসবেন
কোরাপুটে আসার সবচেয়ে সহজ পথ ট্রেন। সম্বলেশ্বরী এক্সপ্রেসে কোরাপুট আসা যায়। রাতে হাওড়া থেকে ট্রেনে চাপলে পরের দিন ভোরেই কোরাপুট পৌঁছে যাওয়া যায়। গাড়িতে যেতে বেশি সময় লাগবে। কোরাপুটে থাকার জায়গার অভাব নেই। সরকারি-বেসরকারি অসংখ্য হোটেল, গেস্ট হাউস রয়েছে এখানে।
ছবি সৌ:ফেসবুক












Click it and Unblock the Notifications