Travel: দার্জিলিংয়ের কাছেই ছোট্ট একটা পাহাড়ি গ্রাম, দূষণমুক্ত নির্ভেজাল ছুটি কাটাতে চলে আসুন এখানে
পাহাড়ি গ্রাম দেখতে অফবিট ডেস্টিনেশন যাঁরা খুঁজছেন তাঁদের কাছে একেবারেই আনকোড়া এই জায়গা।
নাম খোপীদাড়া। যার একদিকে রয়েছে দার্জিলিং পাহাড়, সিকিমের নামচি। আরেক দিকে রয়েছে ধোত্রে। কাজেই অবস্থানটাই স্পষ্ট করে দিচ্ছে এর সৌন্দর্য।
কিন্তু একেবারেই আনকোড়া জায়গা এটি। পর্যটকদের সমাগম নেই বললেই চলে। হোমস্টেও তেমন বাণিজ্যাকভাবে গড়ে ওঠেনি। তবে নেই বলা যাবে না। তাই এখানে আসতে হলে আগে থেকে হোমস্টে বুক করে আসা ভাল। নিছক পাহাড়ি গ্রামে কটাদিন কাটাতে চাইলে খোপীদারার থেকে ভাল কিছু হয় না।

পর্যটকদের জন্য একেবারেই আনকোড়া জায়গা। কারণ গ্রামের পথ ঘাট এখনও তেমনভাব উন্নত হয়ে ওঠেনি। খুব বেশি হলে দুই থেকে তিনটি হোমস্টে। তাঁরা গ্রামের তৈরি এবং গ্রামের ফলন দিয়েই অতিথিদের আপ্যায়ণ করে থাকেন। কাজেই পরিবেশের সঙ্গে সঙ্গে খাবারেও একেবারে খাঁটি পাবেন। শুদ্ধ বাতাসে শ্বাস নিতে হলে এই খোপীদারার থেকে ভাল জায়গা খুব কমই রয়েছে।
সবচেয়ে বড় কথা হল জায়গাটিতে পর্যটকদের ভিড় নয়। হেঁটে তলে গ্রাম দেখার সুযোগ মেলে। গ্রামের মাঝে কফিক খেত, স্কোয়াশের েখত দেখতে অসাধারণ লাগে। এখানে কীভাবে এখানকার বাসিন্দারা চাষ করেন পাহাড়ি মাটিতে সেটা দেখতে পাবেন। সেই সঙ্গে এখান থেকে পাহাড়ের উপরে পাহাড়ের স্তর কীভাবে দেখা যাবে। সুখিয়া পোখরি, দার্জিলিং, সিকিমের নামচির পাহাড় এখান থেকে খালি চোখেই দেখা যায়।
মানেভঞ্জন থেকে মাত্র ৩ কিলোমিটার পরেই পড়ে এই গ্রামটি। সরাসরি গাড়ি নিয়ে আসতে পারেন। খুব একটা বেশি খরচ পড়ে না। শিলিগুড়ি থেকে শেয়ার গাড়িতে মানে ভঞ্জনএসে আবার মানেভঞ্জন থেকে এখানে আসা যায়। যাঁরা শীতকালে বরফ দেখতে ভালোবাসেন তাঁদের জন্যও এটা সেরা জায়গা। খোপীদাঁড়ায় জানুয়ারি এবং ফেব্রুয়ারি মাসে প্রচুর তুষারপাত হয়। সাদা হয় গোটা গ্রাম।












Click it and Unblock the Notifications