Travel: রঙ্গিত নদীর পাড়ে ছোট্ট গ্রাম, পুজোর ছুটিতে নিরিবিলিতে কাটিয়ে আসুন এই অচেনা ডেস্টিনেশনে
পুজোর ছুটির অফবিট ডেস্টিনেশনের খোঁজ কে না করেন। যাঁরা বেড়াতে ভালবাসেন তাঁরা প্রায় সকলেই ছোটেন অফবিট ডেস্টিনেশনে। কারণ দার্জিলিং-মিরিক বা কালিম্পং-কার্শিয়াং সবটাই তাঁদের দেখা গয়ে গিয়েছে। এমনকী পাহাড়ে যে পর্যটন কেন্দ্র গুলি অফবিট বলে জনপ্রিয়তা পেয়েছে সেগুলিও অনেকেই ঘুরে ফেলেছেন।
নতুন করে যাঁরা অফবিট জায়গা খুঁজছেন পুজোর কটা দিন একটু শান্তিতে নিরিবিলিতে কাটাবেন বলে তাঁদের জন্য সেরা ডেস্টিনেশন খারমাল বস্তি বা খারমাল গাঁও। দার্জিলিং থেকে এই জায়গাটি খুব বেশি দূরে নয়। পাহাড়ের কোলে সাজানো গোছানো একটা ছোট্ট গ্রাম। তার পাশ দিয়ে বসে গিয়েছে রঙ্গিত নদী। অর্থাৎ নদীর পাড়ে ছোট্ট গ্রামের একটা ছবি আমরা যে ড্রয়িং কাতায় আঁকতাম সেরকমই একটা গ্রাম এই খারমাল।

শিলিগুড়ি থেকে খারমাল গাঁও বা খারমাল বস্তির দূরত্ব প্রায় ৭৮ কিলোমিটার এবং দার্জিলিং থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার। গ্ৰামটি প্রায় ৭,১৯৮ ফিট উচ্চতায় অবস্থিত। পরিসরে গ্রামটি একেবারেই ছোট বললে ভুল হবে না। কিন্তু এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অপরিসীম। তার সঙ্গে কাঞ্চনজঙ্ঘার পুরো রেঞ্জটাই এখান থেকে দেখা যায়।
অক্টোবর মাসে খুব একটা শীত পড়েনা। শীত পড়তে ঠান্ডা পড়ে ঠিকই তবে সেই জমে যাওয়া হাড় কাঁপানো অনুভূতি হয় না। চারপাশে পাইন গাছের জঙ্গল। তার সঙ্গে চা বাগান। ফেব্রুয়ারি থেকে মে এবং অক্টোবর থেকে নভেম্বর পর্যন্ত এখানে বেড়ানোর সেরা সময় বললে ভুল হবে না।
শিলিগুড়ি থেকে সরাসরি গাড়িতে আসা যায়। তাতে ভাড়া পড়বে ৩০০০ টাকা থেকে ৩৩০০ টাকা। আবার দার্জিলিং থেকেও এখানে আসা যায়। সেক্ষেত্রে গাড়ি ভাড়া একটু কম পড়বে। কাজেই আর দেরি না করে বুকিং করে ফেলুন। কারণ এখানে হোমস্টের সংখ্যা বেশি নেই বললেই চলে। একটি বা দুটি হোম স্টে রয়েছে এখানে। পুজোর সময় বুকিং পাওয়া মুশকিল হয়ে যাবে।
যাঁরা পাহাড় ঘুরতে ভালবাসেন তাঁদের কাছে এই জায়গাটি স্বর্গ বলেই মনে হবে। হোমস্টের ঘরে বসেই কাঞ্জনজঙ্ঘার মনোরম দৃশ্য উপভোগ করতে পারবেন। সাধারণত নভেম্বর মাসে কাঞ্জনজঙ্ঘা সবচেয়ে ভাল দেখা যায়। সেকারণে এই সময়ে যাঁরা বেড়াতে আসবেন ভাবছেন তাঁরা সেই স্বর্গীয় দৃশ্য উপভোগ করতে পারবেন সবচেয়ে ভাল।












Click it and Unblock the Notifications