Travel: ভুলে যান দার্জিলিং, এখানে একবার এলে আর ফিরতে ইচ্ছে করবে না
হাতে তিন দিন ছুটি থাকলেই এখানে চলে আসা যায়। খারকা গাঁও। একেবারে অচেনা জায়গা। পর্যটন মানচিত্রে এখনও এই জায়গাটি ঠাঁই পায়নি। অথচ একেবারে কাছেই রয়েছে এই জায়গা। কালিম্পং থেকে একােন পৌঁছতে ৪৫ মিনিটের মতো সময় লাগে।
কাজেই একেবারেই কাছে রয়েছে জায়গাটি। শিলিগুড়ি থেকে কালিম্পং কীভাবে আসবেন সেটা আলাদা করে আর বলার প্রয়োজন নেই। কারণ পাহাড় প্রেমী বাঙালি পর্যটকরা প্রায়ই কালিম্পং যান। শেয়ার গাড়িতে অথবা গাড়ি বুক করে এখানে পৌঁছে যাওয়া যায়। সেখান থেকে কারকে গাঁও যাওয়ার গাড়ি পাওয়া যায়।

কাজেই সেখানে পৌঁছতে খুব একটা ঝামেলা নেই। একেবারে সোজা রাস্তা। খারকা গাঁও জায়গাটি একেবারে আনকোড়া পাহাড়ি গ্রাম। এখানে পর্যটকেদের তেমন পা পড়েনি। সেকারণে হোম স্টের সংখ্যাও নিতান্তই কম। তাই এখানে আসতে হলে আগে থেকে বুক করে আসাই ভাল।
এখান থেকে কাঞ্জনজঙ্ঘার ক্লিয়ার ভিউ পাওয়া যায়। ডিসেম্বর মাসে গোটা গ্রামটি কমলালেবুতে ভরে থাকে। সেকারণে এখানে এসে কেবল প্রকৃতির মাঝে থাকার সুযোগ পাবেন। এখান থেকে কালিম্পংয়ের সব সাইড সিইং করা যায়। আবার এখান থেকে লাভা-লোলে গাঁও। এমকী সিল্করুট পর্যন্ত যাওয়া যায়।
আবার এখান থেকে নর্থ সিকিমও যাওয়া যায়। এতো সুন্দর এখানকার লোকেশন। কাজেই ডিসেম্বরের ছুটিতে শান্ত নিরিবিলি পরিবেশে কমলালেবু খেতে খেতে কঞ্চনজঙ্ঘার দৃশ্য উপভোগ করতে পারেন। আবার সিকিম যাওয়ার পথে এখানে একটা দিন কাটিয়ে যেতে পারেন।












Click it and Unblock the Notifications