Travel: গরমের ছুটিতে বেড়িয়ে আসুন মেঘ পিয়নের বাড়ি, একেবারে অচেনা এক লোকেশনে
গরমের ছুটিতে নতুন কোথাও ঘুরতে যেতে চান অনেকেই। ভোট থাকলেও তার ফাঁকেই বেড়ানোর প্ল্যািনং শুরু করে দিয়েছেন তাঁরা। কারণ বেড়াতে যাঁরা ভালবাসেন তাঁরা বেশিদিন ঘরবন্দি হয়ে থাকতে চান না। তাঁরা বে়ড়াতে যাবেন যেভাবেই হোক। আর দক্ষিণবঙ্গে যে গরম পড়েছে তাতে পাহাড় যাওয়া ছাড়া উপায় নেই।
যাঁরা অচেনা ডেস্টিনেশন চাইছেন তাঁদের জন্য সেরা ডেস্টিনেশন কশ্যন। একেবারে অচেনা একটা পাহাড়ি গ্রাম। খুব বেশি লোকের বাস নয়। এমনিতেই পাহাড়ে জনবসতী খুব বেশি থাকে না। তার উপরে পাহাড়ি গ্রাম তো আরও ফাঁকা হবে তাতে কোনও সন্দেহ নেই। গুটি কয়েক লোকের বাস গোটা গ্রামে।

চারিদিকে গাছ গাছালি আর সবুজ প্রকৃতি। তার মাঝে উঁকি দিয়ে যাচ্ছে কাঞ্চনজঙ্ঘা আর তিস্তা। দুজনের যেন লুকোচুরি খেলা চলছে। কখনও মেঘে ঢেকে যাচ্ছে তিস্তা আবার কখনও মেঘে ঢেকে যাচ্ছে কাঞ্জনজঙ্ঘা। এই নিয়েই কেটে যায় তাঁদের সারাটা দিন। গ্রামের মানুষেরা সারাদিন নিজের কাজেই ব্যস্ত থাকেন। রাতে যেহেতু পাহাড়ে কিছু করার থাকে না সেকারণে তাঁরা সারাদিন কাজ করেন আর রাতে পরিবারের সঙ্গে গল্প আড্ডায় কাটিয়ে দেন।
পাহাড়ের কোনও হেমস্টেতে থাকতে হলে তাঁদের মতো করেই থাকতে হয়। পাহাড়ি মানুষের জীবন যাত্রার মতোই কাটাতে হয় তাঁদের। তারসঙ্গে পাহাড়ি খানা পিনা। সন্ধেবেলা ক্যাম্প ফায়ার। গ্রামের অনেক জায়গাতেই ভিউ। তবে এই গ্রাম থেকে কাছে সীমানাদারা ভিউ পয়েন্ট। সারাটা দিন নির্ভ্যাজাল একটা দিন কাটিয়ে দেওয়া যায়।
পাহাড়ি রাস্তার আশপাশে অনেক জায়গা রয়েছে। ২দিনের জন্য কাশ্যন ভ্রমণ মন্দ হয় না। এখান থেকে আবার সিল্করুট যাওয়া যায়। এখান থেকে পূর্ব সিকিমের একাধিক জায়গা জুলুক-পদমচেন দেখা যায়। এখানে আসতে গেলে শেয়ার গাড়িতে আগে কালিম্পং আসতে হবে। সেখান থেকে আবার শেয়ার গাড়িতে কাশ্যন আসা যায়। চাইলে হোমস্টে থেকে সরাসরি গাড়ি পাঠিয়ে দিতে পারে।












Click it and Unblock the Notifications