Travel: জঙ্গলের মধ্যে কাঠের কটেজে কাটানোর অ্যাডভেঞ্চার, রাতে শোনা যায় হাতির ডাক, চলে আসুন এই লোকেশনে
জলদাপাড়া আর গরুমারা মানেই সকলের মনে আগে আসে হলং বনবাংলোর কথা। কিন্তু হলং বনবাংলোর কথা। কিন্তু হলং বনবাংলো সহজে পাওয়া যায় না আবার খরচও বেশি। সেকারণে পর্যটকদের কথা মাথায় রেখে বনদফতর আরেকটি বনবাংলোর ব্যবস্থা করেছে। একেবারে কাছের বাড়ি সেটি।
জঙ্গলের মধ্যে একটু অন্যরকম জায়গায় থাকার ব্যবস্থা। এখানে থাকার অভিজ্ঞতা আলাদা হবে তাতে কোনও সন্দেহ নেই। একেবারে ডুয়ার্সের কাঠের বাড়ির মতোই। একেবারে নিরিবিলি একটা জায়গায় রয়েছে এই বাংলোটি। পিছনেই রয়েছে নদী। সেখানে নাকি রাতের অন্ধকারে হাতির দল আগে জল খেলে।

বাংলোর ঘরে বসেই সেই হাতির আনাগোনা টের পাবেন। তবে বাংলোটা সংরক্ষিত করে রাখা হয়েছে। তার ভেতরে বন্যপ্রাণীর প্রবেশ করতে পারে না। কাঠের বাংলোর সামনেই রয়েছে বিশাল একটি বাগান। যেখানে সুন্দর বসার জায়গা দোলনা সবই রয়েছে। সন্ধেবেলা বার্বিকিউ-র ব্যবস্থাও রয়েছে। খাওয়া দাওয়ারও কোনও কমতি নেই এখানে।
এখানে থাকার অ্যাডভেঞ্চারই আলাদা। হঠাৎ করে হয়তো শুনতে পাবেন বোম ফাটানোর আওয়াজ। তাহলেই বুঝে নিয়ে হবে আশপাশে হাতি চলে এসেছে। সেকারণে বনদফতরের কর্মীরা বম ফাটিয়ে হাতি তাড়াচ্ছে। একদিকে ভয় আরেকদিকে রোমাঞ্চ উপভোগ করতে পারবেন। এই রিসর্টের কাছে পিঠেই রয়েছে বেশ কিছু গ্রাম। যাঁরা সারাদিনই বনের পশুদের সঙ্গে লড়াই করে বেঁচে রয়েছে। কখনও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান। কখনও বেঁচে থাকার লড়াই।
এখান থেকে জলদাপাড়ায় সাফারির ব্যবস্থাও করা যায়। জিপে সাফারির ব্যবস্থা রয়েছে। সেখান থেকে গোটা জঙ্গলে সাফারি করতে পারেন। এছাড়া হাতি সাফারির ব্যবস্থা রয়েছে। সন্ধেবেলা আবার লোকনৃত্য দেখার ব্যবস্থাও রয়েছে। কাজেই এখানে থাকার একার আলাদা ব্যবস্থা রয়েছে। এখানে আসতে হলে মাদারিহাট স্টেশনে নামতে হবে।












Click it and Unblock the Notifications