Travel: পাহাড়ের ট্যুর বাতিল! চলে আসুন কলকাতার কাছেই ভারতের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ অরণ্যে
সামনেই পুজো। বেড়াতে যেতে চান সকলেই। স্কুল-কলেজ-অফিস ছুটি। কিন্তু অনেকেই পাহাড়ে বেড়াতে যাওয়ার পরিকল্পনা করেও বাতিল করছেন। শেষ বেলার বেড়ানোর পরিকল্পনা বাতিল হওযায় অনেকেরই মন খারাপ। তাঁদের জন্য রইল এক নতুন ঠিকানা। ভিতকণিকা।
ভিতরকণিকাকে ভারতের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ অরণ্য বলা হয়ে থাকে। কলকাতার একেবারেই কাছেই রকয়েছে এই জায়গা। পশ্চিমবঙ্গের প্রতিবেশী রাজ্য ওড়িশার মধ্যে রয়েছে ভিতর কণিকা। সড়ক-ট্রেন উভয় পথেই সেখানে পৌঁছনো সম্ভব। একেবারে অফবিট ট্যুরিস্ট ডেস্টিনেশন তাও আবার কলকাতার কাছেই।

একসঙ্গে জলে কুমীর, আর ডাঙায় হরিণ- রঙিন নাম না জানা পাখিদের ভিঁড় দেখা যাবে। তার সঙ্গে সুন্দরী গাছের জঙ্গল। সে এক দ্বিতীয় সুন্দরবন বললে ভুল হবে না। সড়কপথে আসতে হলে মাঝে একদিন কোথাও একটা ব্রিক দিতে হবে অর্থাৎ ভদ্রকে থাকলেই ভাল। বালেশ্বর হয়ে এখানে পৌঁছে যেতে পারেন। সেখান থেকে পরকের দিন রওনা হয়ে যান ভিতর কনিকা।
ভদ্রক থেকে ৭০ কিলোমিটার দূরে ভিতর কনিকা। চাঁদবালি ঘাট থেকে ব্রাহ্মণী নদী পেরিয়ে যেতে হবে আগে থেকে রিসর্টে বলে রাখলে তাঁরাই নৌকা পাঠিয়ে নিয়ে যায়। তারপরকে ধীরে ধীরে নৌকা পথে ভিতর কনিকায় প্রবেশ। ভিতরকণিকার সবচেয়ে ভাল বিষয় হল জল এবং জঙ্গলের একসঙ্গে অ্যাডভেঞ্চাল পাওয়া যায়। এখানে টেন্টেও রাত কাটানোর ব্যবস্থা কয়েছে।

জল-জঙ্গলের সহাবস্থান বলে এখানে গরমটা একটু বেশি। এমনিতেও ওড়িশায় তেমন ঠান্ডা পড়ে না। তবে সুন্দরবনে বাঘ থাকলেও ভিতর কণিকায় কিন্তু বাঘ থাকে না। সেকারণে ভেতর কণিকায় ম্যানগ্রোভ অরণ্যে প্রবেশ করা যায়। তবে জঙ্গলের গভীরে প্রবেশের অনুমতি দেয়না বনদফতর। ভিতরকণিকার জঙ্গলের সংলগ্ন গ্রামগুলি অসাধারণ। ছোট ছোট কুঁড়ে ঘরে অসাধারণ লাগে দেখতে।
সকাল সকাল নৌকা করে বেড়িয়ে পড়ুন কুমীর দেখতে। ম্যানগ্রোফ অরণ্যের মধ্য দিয়ে ঘুরবে নৌকাটি। ভিতর কনিকায় প্রচুর হরিণের দেখা মেলে। রকমারি সব পাখিও দেখা যায় এখানে। গোসাপ, কুমীর, মাছরাঙা দেখা যায়। কুমীরের প্রজনন সেন্টারও রয়েছে এই ভিতরকণিকাতে। এখানে মিউজিয়ামও রয়েছে। সেখান বন্য জন্তুদে কঙ্কাল সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছে। সপ্তাহের শেষে ২টো দিন অনায়াসে কাটিয়ে আসা যায় এখান থেকে।












Click it and Unblock the Notifications