Travel: পুজো শেষ ছুটি এখনও কটা দিন বাকি, বেড়িয়ে আসুন পশ্চিমবঙ্গের হ্যামলেট থেকে
Copy- এবছরের মতো বিদায় নিলেন তিনি। আসছে বছল আবার হবে। সিঁদুর খেলে সকলকে চারদিন আনন্দে ভরিয়ে রেখে কৈলাসে ফিরে গেলেন উমা। মন খারাপ সকলেরই। আকাশে বাতাসে কেমন একটা বিষাদের সুর। সকলেই জানেন এই নির্মোঘ সত্যিটার মুখোমুখি প্রতিবছর হতেই হবে। তারপরেই মন মানে না।
আর মন খারাপের মনটাকে ভাল করতে চাইলে বেড়ানোর থেকে সেরা আর কিছু হয় না। বিশেষ করে অপেক্ষা করছে যখন একটি নতুন ডেস্টিনেশন যার নাম মেঘমা। ছোট্ট একটা পাহাড়ি গ্রাম। দার্জিলিংয়ের একেবারে পাশেই রয়েছে সেই পাহাড়ি গ্রাম মেঘমা।

পাহাড় বলে অনেকেই হয়তো ভাববেন সেই তিস্তার আগ্রাসী রূপের কথা। কিন্তু সেই পর্যায় কাটিয়ে উঠে ফের ছন্দে ফিরেছে পাহাড়। উত্তরবঙ্গ এবার যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল তাতে পর্যটন ব্যবসায়ীদের মন ভেঙে গিয়েছিল একাধিক হোটেল হোমস্টের বুকিং বাতিল করেছিলেন পর্যটকরা। কিন্তু সেনা বাহিনী যেভাবে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় রাস্তা সারাইয়ের কাজ করেছে তাতে পর্যটকরা নিরাশ হননি।
পুজোর চারদিন দার্জিলিংয়ে যে বিপুল পর্যটকের ভিড় হয়েছিল তা বলার অপেক্ষা রাখে না। দার্জিলিংয়ের মলরোডের ভিড় ধর্মতলা বলে মনে হচ্ছিল। উত্তরবঙ্গের অন্যান্য পর্যটন কেন্দ্রগুলিতেও বিপুল ভিড় লক্ষ্য করা গিয়েছে। পাহাড়ে এবার আবহাওয়া ভীষণ ভাল ছিল পুজোর কটা দিন। একেবারে ঝকঝকে আকাশ প্রতিদিনই কাঞ্জনজঙ্ঘার দর্শন মিলেছে।
এখন আবার পাহাড় মুখো হয়েছেন পর্যটকরা। যাঁরা মন ভাল করতে চাইছেন তাঁদের জন্য অপেক্ষা করছে দার্জিলিংয়ের কাছেই ছোট্ট পাহাড়ি গ্রাম মেঘমা। একেবারেই অচেনা গ্রাম অচেনা নাম। খুব একটা পর্যটকদের ভিড় নেই। সান্দাকফু যাওয়ার পথে পড়ে এই মেঘমা। এখানে এলে মনে হবে ক্যানভাস এঁকে দিয়েছে কেউ। ট্রেক করে এখানে যেতে পারলে সবচেয়ে ভাল। সবচেয়ে বেসি উপভগ্য হয় এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য।
রাস্তার দুধারে রডোডেনড্রনের গাছ। এপ্রিম মাসে লাল গোলাপি হয়ে থাকে রাস্তার দুই পাশ। ঝকঝকে আকাশে রডোডেনড্রনের অসাধারণ লাগে। যেন মনে হয় আকাশে রঙের হোলি খেলা চলছে। মেঘমায় রয়েছে একটি সুপ্রাচীন বৌদ্ধ গুম্ভা। এর এর একদিনে নেপাল আরেক দিকে ভারত। অদ্ভুত এক মেলবন্ধন। এখানে এলে মন ভাল হতে বাধ্য।












Click it and Unblock the Notifications