Travel: টয় ট্রেনের কু ঝিক ঝিক শুনতে শুনতে চলে আসুন কার্শিয়াংয়ের কাছে এই অফবিট লোকেশনে
গরমের ছুটি কাটাতে অনেকেই পাহাড়ে আসছেন। তাঁদের জন্য অপেক্ষা করছে এক অচেনা লোকেশন। কার্শিয়ংয়ের কাছেই রয়েছে সেই লোকেশন। কালিম্পং অনেকেই গিয়েছেন কিন্তিু এই জায়গায় অনেকেই যাননি। এমনই একটি লোকেশন এটি। জায়গাটির নাম গিদদা পাহাড়।
কার্শিয়াং সার্কিট হাউস তো অনেকেই চেনেন। সেখান থেকে খুব বেশি দূরে নয় এই জায়গাটির অবস্থান। সার্কিট হাউসের নীচেই রয়েছে একটি ছোট্ট হোমস্টে। গিদদা পাহাড়ে যেতে হলে এই লোকেশনে থাকা সবচেয়ে ভাল। একান থেকে হেঁটেই অনেক জায়গা ঘুরে নেওয়া যায়।

কালিম্পংয়ের েডলো সকলেই গিয়েছেন কিন্তু নেতাজি মিউজিয়াম দেখেছেন কি। পায়ে হেঁটে ঘুরে নিন এই নেতাজি মিউডিয়াম। সেখান থেকে অসাধারণ ভিউ দেখা যায়। এই বাড়িটি শরৎ চন্দ্র বসু ১৯২২ সালে কিনেছিলেন। তিনি নিয়ে ১৯৩৩-৩৫ সাল পর্যন্ত এই বাড়িটিতে বন্দি ছিলেন। তার পরে ১৯৩৬ সালে নেতাজিকে এই বাড়িটিতে ৭ মাস বন্দি করে রাখা হয়েছিল। নেতাজির স্মতি বিজরিত এই বাড়িটি এখন মিউজিয়ামে পরিণত হয়েছে।
এখান থেকে পায়ে হেঁটেই পৌঁছে যাওয়া যায় গিদদা পাহাড়। যার উচ্চতা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় সাড়ে চার হাজার ফুট উঁচু। গোটা পাহাড় জুড়েই প্রায় চা বাগান। সেকারণে দেখতে আরও অসাধারণ লাগে। এখানকার ভিউ পয়েন্টে গেলে মুগ্ধ হয়ে যাবেন। চা-বাগানের সঙ্গে বিস্তৃত উপত্যকা অসাধারণ দেখতে লাগে। এখানকার ভিউ কার্শিয়াংয়ের অন্যান্য জায়গায়র থেকে বেশি সুন্দর।
কাঞ্চনজঙ্ঘার পাশাপাশি চা-বাগান। সেএক অবর্ণনীয় সৌন্দর্য একানে এলে উপভোগ করতে পারবেন। পায়ে হেঁটে গিদদা পাহাড়ের আশপাশের অনেক মন্দির দেখে নিতে পারেন। রাম মন্দির রয়েছে। রয়েছে সতী মাতার মন্দির। স্স্থানীয় বাসিন্দারা এখানে এসে পুজো দেন। এই গিদদা পাহাড়ের সৌন্দর্য যাঁরা না এসেছেন তাঁরা উপভোগ করতে পারবেন না।
শিলিগুড়ি থেকে অনায়াসেই এখানে আসা যায়। শেয়ার গাড়িতে কার্শিয়াং এসে। সেখান থেকে আবার শেয়ার গাড়িতকে গিদদা পাহাড়ে চলে আসতে পারবেন। যাঁরা কার্শিয়াংয়ে থাকবেন ভাবছেন তাঁরা গিদদা পাহাড় সাইড সিইইং হিসেবে দেখে নিতে পারেন। তবে এটি কার্শিয়ায়ের অন্যরুটে সেকারণে পরিচিত ভিউ পয়েন্টগুলি সেদিন দেখতে পারবেন না।












Click it and Unblock the Notifications