Travel: শীতে পাখি দেখতে চান, চলে আসুন কলকাতার কাছেই এই জায়গায়
শীতকালে যেমন বেড়াতে ভালোলাগে তেমনই ভাল লাগে পাখি দেখতে। শীতের দেশ থেকে হাজারো রকমের পরিযায়ী পাখিরা ভিঁড় করে রাজ্যের একাধিক জলাধারে। তারমধ্যে একটি অফবিট জায়গা হল গজলডোবা।
উত্তরবঙ্গের এই জায়গাটিতে খুব বেশি পর্যটকের দেখা মেলে না। স্থানীয়রাই বেশি আসেন।
জলপাইগুড়ির মহানন্দা অভয়ারণ্য এবং বৈকুণ্ঠপুর সংরক্ষিত এলাকার মাঝে তিস্তা নদীর বাঁধ দিয়ে তৈরি হয়েছে একটি বিশাল জলাধার। প্রতিবছর এখানে অসংখ্য নাম না জানা পাখি ভিঁড় করে। ঝাঁকে ঝাঁকে পরিযায়ী পাখির দল এই জলাধারে এসে বাসা বাঁধে।

নর্দান শোভেলার, নর্দান পিনটেল, ইউরেশিয়ান উইজিয়ন, কমন টিল একাধিক নাম না জানা সুন্দর সুন্দর পরিযায়ী পাখি সাঁতরে বেড়ায় জলাধারের জলে। তাঁরা খেলা করে, খাবার শিকার করে আবার বাসাও বাঁধে। জলে তাঁদের খেলা দেখতেই অসাধারণ লাগে।
কত সহস্র পথ পাড়ি দিয়ে তাঁরা এসে পৌঁছয় এখানে। হাড় কাপুিন ঠান্ডা থেকে নিজেদের বাঁচাতে বেছে নেয় উষ্ণ এলাকা। যেখানে তাঁদের খাবারও থাকে পর্যাপ্ত। এখানে এই সময় পাখি দেখানোর জন্য শিকারা ভাড়া পাওয়া যায়। কাশ্মীরের ডাল লেকের মতোই এখানে বাঁধে শিকারায় চড়ে পাখি দেখতে পারেন পর্যটকরা।
গজলডোবায় থাকার জায়গার অভাব েনই। সরকারি রেস্ট হাউস থেকে শুরু করে একাধিক বেসরকারি থাকার জায়গা রয়েছে এখানে। গজলডোবায় আসতে হলে সরাসরি কলকাতা থেকে ট্রেনে শিলিগুড়িতে এসে সেখান থেকে গাড়িতে সরাসরি গজলডোবা আসা যায়। আবার এনজেপি স্টেশন থেকে শেয়ারে টোটোতে গোরার মোড় এসে সেখান থেকে ট্রেকারে করে শেয়ারে চলে আসা যায় গজলডোবা।












Click it and Unblock the Notifications