Travel: শতাব্দী প্রাচীন হেরিটেজ বাংলো পাহাড়ের কোলে, ঘুরে আসুন এই অচেনা লোকেশনে
পাহাড় মানেই যে কেবল প্রকৃতি তা নয় এখানে ইতিহাসও সমানভাবে জড়িয়ে রয়েছে। পাহাড়ে ইতিহাসের ছোঁয়া রয়েছে এমন কোনও জায়গায় যদি কেউ ঘুরে আসতে চান তাহলে চলে আসুন কালিম্পং জেলার সম্পূর্ণ অচেনা একটি লোকেশনে। এই জায়গাটিক বাম ফাতিমা গাঁও।
এখানে একদিকে যেমন রয়েছে পাহাড় আরেকদিকে রয়েছে ইতিহাসের ছোঁয়া। এখানে রয়েছে ১৭১ বছরের পুরনো একটি বাংলো। যেটির একটি ঘর এখনও অক্ষত রয়েছে। সেটা সংরক্ষিত করে রাখা হয়েছে। সেই ঘরে প্রার্থনা করা হয়। বাকি ঘরগুলিতে একটু রেনোভেশন হয়েছে ঠিকই তবে সেই বাংলোর ভিত্তি কিন্তু শতাধিক বছরের পুরনো।

পাহাড়ের কোলে এমন একটি শতাব্দী প্রাচীন বাংলোয় থাকার সুযোগ খুব বেশি পাওয়া যায় না। দার্জিলিংয়ে সাহেবি আমলের বেশ কিছু বাংলো আছে ঠিকই অতিথিশালা হিসেবে। কিন্তু এটা একেবারে অন্যরকম। এই জায়গাটি থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা সরাসরি দেখা যায়। গ্রামের চারিদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে অসংখ্য ভিউ পয়েন্ট। মানে সেখানে হেঁণটে পৌঁছে গেলে কাঞ্জনজঙ্ঘার অসাধারণ ভিউ পাওয়া যায়।
সারাটা দিন কাঞ্চনজঙ্ঘার দৃশ্য উপভোগ করতে করতেই সময় কেটে যাবে। অবশ্যই তার জন্য আকাশ পরিষ্কার থাকতে হবে। তবে আকাশ মেঘে ঢাকা থাকলেও ক্ষতি নেই গ্রামের পথে পথে ঘুরে বেড়ান। ফুলের ছড়াছড়ি। আর অরগ্যানিক ফার্মিং। নানারকম পাহাড়ি সবজির চাষ দেখতে পাবেন। গ্রামে সকাল থেকেই কেমন ভাবে সময় কাটান বাসিন্দারা। কাজেই একেবারে অন্যরকম একটা সময় কাটবে এখানে এলে।
এখানে আসতে হলে শিলিগুড়ি থেকে শেয়ার গাড়িতে চলে আসুন কালিম্পংয়ে। তারপরে সেখান থেকে গাড়ি ভাড়া করে পৌঁছে যান ফাতিমা গ্রামে। আবার সরাসরি শিলিগুড়ি শহর থেকে চলে আসুন এই গ্রামে। গরম থেকে বাঁচতে বেড়িয়ে আসুন এই অচেনা লোকেশনে। গরমের কারণে যেখানে পাহাড়ে এতোটা ভিড় সেখানে এই গ্রামে একটু নিরিবিলিতে কয়েকটি সময় কাটিয়ে দিতে পারবেন।












Click it and Unblock the Notifications