Travel: বসন্তের বিকেলে হাওয়া খেতে চলে আসুন কলকাতার কাছেই এই লোকেশনে
ফাগুনের আগুন লাগতে শুরু করেছে আবহাওয়ায়। গাছে গাছে ফুলের সমাহার জানান দিচ্ছে বসন্ত এসে গিয়েছে। বিকেলে কোকিলের ডাক আর তার সঙ্গে মৃদুমন্দ হাওয়া। একেবারে উড়ু উড়ু মন। তার পরে অফিস ছুটি থাকলে তো কথাই নেই। মন চাইছে কাছে পিঠে কোথাও বেড়িয়ে আসতে।
ঘরের কাছেই রয়েছে এমন একটি জায়গা। যেখানে ড্রাইভ করে পৌঁছে যাওয়া যায়। বিকেলটা কাটিয়ে আবার ফিরে আসুন বাড়িতে। একেবারেই নতুন েসই জায়গাটি। ধীরে ধীরে পর্যটক বান্ধব করে গড়ে তোলা হচ্ছে। বিশেষ করে ভ্রমণ প্রেমিক বাঙালিদের জন্য এটা একেবারে আনকোড়া একটা জায়গা।

নামটা শুনলে অবাক হবেন। জায়গাটির নাম দুর্গাপুর ব্যারেজ। অনেকেই ভাববেন সেখানে আবার দেখার কি রয়েছে। এই দুর্গাপুর ব্যারাজকে কেন্দ্র করেই সেজে উঠছে একটা নতুন পর্যটন কেন্দ্র। এখানে নৌকা বিহারের সুবিধাও রয়েছে। তবে খুব বেশিদিন নয়। কয়েক মাস ধরেই এই জায়গাটি সাজিয়ে তোলার কাজ শুরু হয়েছে।
অনেকেই মাইথন ছুটে যান ছোট ছুটি কাটাতে। সেখানে ব্যারাজের জলে নৌকা বিহার থেকে শুরু করে ব্যারাজের উপরে ঘুরে বেড়ানোর মজাই আলাদা। কিন্তু মাইথন জায়গাটি কলকাতা থেকে বেশ কিছুটা দূরে। কিন্তু দুর্গাপুর ব্যারাজটি অনেকটা কাছেই। সেখানে দুপুরে গাড়ি চালিয়ে বিকেলে পৌঁছে যাওয়া যায়। বসন্তে বিকেলে মৃদু মন্দ বাতাস তার সঙ্গে ব্যারাজের সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন।
ব্যারাজের কাছেই রয়েছে ছোট একটা পার্ক। সেখানে বসে বিকেলের চা পানটা সেরে নিতে পারেন। তারপর একটু ঘোরাঘুরি করে আবার গাড়ি নিয়ে বেড়িয়ে পড়ুন। পথে শক্তিগড়ে টিফিন সেরে সঙ্গে ল্যাংচা নিয়ে বাড়ি ফিরে আসুন। একেবারে মজার একটা সপ্তাহান্তের ছুটি কাটাতে পারবেন।
অনেকে ভাববেন ব্যারাজ ছাড়া আর কি আছে। দুর্গাপুর ব্যারাজের কাছেই রয়েছে দুর্গাপুরের বিসর্জন ঘাট। সেখানেও নৌকা বিহারের ব্যবস্থা রয়েছে। বেশ কিছুটা সময় নদীর পড়ে কাটিয়ে দিতে পারবেন। সপ্তাহান্তের ছোট্ট ছুটি মন্দ কাটবে না এখানে।












Click it and Unblock the Notifications