Travel: রিসর্টের সামনেই হাতির দল আসে নদীতে জল খেতে, বর্ষায় এমন বন্য সৌন্দর্য উপভোগ করতে হলে চলে আসুন এখানে
বর্ষার কারণে জুন থেকেই বন্ধ হয়ে গিয়েছে ডুয়ার্সের সব জঙ্গল। মূলক জঙ্গলের টানেই ডুয়ার্সে ছুটে যান পর্যটকরা। তাই পর্যায় এক প্রকার ফাঁকাই পড়ে থাকে ডুয়ার্সের পর্যটন কেন্দ্রগুলি। খাঁ খাঁ করে হোটেল, রিসর্ট, বনবাংলোগুলি। কিন্তু এই বর্ষায় জঙ্গল বন্ধ থাকলেও ডুয়ার্সের কিন্তু আলাদা সৌন্দর্য রয়েছে।
এই সময় ভুটান পাহাড়ে বৃষ্টির কারণে ফুলে ফেঁপে ওঠে জয়ন্তি, ডায়না নদীগুলি। সাদা বালির চর ঢেকে যায় জলে। সে-যে কী ভয়ঙ্কর সুন্দর হয়ে ওঠে তখন ডুয়ার্সের নদীগুলি না দেখলে বলা কঠিন। গত কয়েক বছর ধরে বর্ষায় এই ডুয়ার্সের সৌন্দর্য উপভোগ করতে বেশ কিছু পর্যটকের আনাগোনা শুরু হয়েছে।

এই সময় জঙ্গল বন্ধ থাকায় রিসর্ট-হোটেলের বুকিং পাওয়াও সহজ হয়। তার সঙ্গে আরেকটি উপরি পাওনা হল বন্যজন্তুর অনায়াসেই দেখা মেলা। অন্যসময় জঙ্গল সাফারিতে গিয়েও যাদের দর্শন মেলেনা। তারা এই সময় নদীর পাড়ে ঘুরে বেড়ায়। হািতর দল এই সময় নদীর পাড়ে ঘুরে বেড়ায়। হোটেল রিসর্ট থেকে যাদের অনায়াসেই দেখা যায়। অন্যসময় হাতিদের দেখা পেতে বেশ কসরত করতে হয় পর্যটকদের। তারপরেও তাদের দেখা মেলে না।
তার উপরে রয়েছে সবুজ চা বাগান। বর্ষায় আরও সবুজ হয়ে ওঠে চা-বাগানগুলি। অপূর্ব সুন্দর লাগে তখন চা-বাগান দেখতে। আর মেঘ পরিস্কার হয়ে আকাশে সূর্যের দেখা মিললে তো সবুজ পাতায় সূর্যের আলো পড়ে চক চক করে। এই সময় চা-বাগানগুলি আরও মোহময় হয়ে ওঠে। কাজেই বর্ষা মানেই ডুয়ার্স থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া নয়। বর্ষাতেও মোহময়ী হয়ে ওঠে ডুয়ার্স।
কয়েকদিন আগেই অগ্নিকাণ্ডে হলং বনবাংলো পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। এই নিয়ে স্থানীয় পর্যটন ব্যবসায়ীরা তদন্তের দািব জানিয়েছে। ঐতিহ্যের হলং বনবাংলো থাকার জন্য পর্যটকদের ভিড় লেগেই থাকত। কিন্তু সেই বনবাংলো আগুনে ভষ্মীভূত হয়ে যাওয়ার ঘটনায় স্বাভাবিক ভাবেই মন ভেঙে গিয়েছে পর্যটকদের। পুজোয় আর হলং বনবাংলোয় থাকা হবে না পর্যটকদের। অনেকেই এই নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।












Click it and Unblock the Notifications