Travel: ভুলে যাবেন দার্জিলিং, চলে আসুন পাইনের জঙ্গলে ঘেরা উত্তরবঙ্গের এই নয়া ডেস্টিনেশনে
পাহাড়ে বসন্ত এসে গেছে। সামনেই দোল পূর্ণিমা। অনেকেই বেড়ানোর প্ল্যানিং শুরু করে দিয়েছেন। স্কুলের পরীক্ষাও শেষ। পড়াশোনার চাপ নেই। কাজেই একেবারে নির্ঝঞ্ঝাটে নির্ভেজাল বেড়ানোর আনন্দ উপভোগ করতে পারবেন সকলে।
আর মন খুলে প্রাণ খুলে বেড়াতে হলে সাধ্যের মধ্যে সাধ পুরণ করে দেবে উত্তরবঙ্গ। মধ্যবিত্তের কাছে উত্তরবঙ্গই কাশ্মীর, উত্তরবঙ্গই সিমলা-মানালি। কাজেই যাঁরা ভাবছেন উত্তরবঙ্গের কোথায় বেড়াতে যাবেন। তাঁদের জন্য অপেক্ষা করছে একেবারে অফবিট একটা লোকেশন যার নাম ধুপিঘাড়ি। পাহাড়ের কোলে ছোট্ট একটা গ্রাম।

দার্জিলিংময় বাঙালির জীবনে ধুপিঘাড়ি একটু নতুনত্ব এনে দেবে। অথচ দার্জিলিং থেকে এর দূরত্ব মাত্র ৪ কিলোমিটার। এই চার কিলোমিটার গেলেই পাহাড়ের চরিত্র হঠাৎ করে এতোটাই বদলে যায় যে অবাক হয়ে যাবেন। ধুপিঘাড়ির অন্যতম আকর্ষণ হল এর পাইনের জঙ্গল। চারপাশে তুষার শৃঙ্ঘ আর মাঝে পাইনের জঙ্গল। অসম্ভব সুন্দর এই পর্যটন কেন্দ্রের সৌন্দর্য।
এই ধুপিঘাড়িতে তেমন পর্যটকদের আনাগোনা দেখা যায় না। একেবারেই ভিড়হীন একটা জায়গা। গুটি কয়েক পাহাড়ি বাড়ি তার সঙ্গে নির্জনতা। শহরের দৌড়ঝাঁপ থেকে কয়েকটা দিন অবসর যাপনে যাঁরা বেড়াতে যেতে চান তাঁদের জন্য সেরা জায়গা এই ধুপিঘাড়ি। ধুপিঘাড়ি থেকে দার্জিলিংয়ের দূরত্ব খুব একটা বেশি নয়। এখান থেকেও দার্জিলিং ঘুরতে আসতে পারেন। আবার দার্জিলিং থেকে এখানেও ঘুরতে আসা যায়।
এখানে থাকতে হলে আগে থেকে হোমস্টে বুক করে আসাই ভাল। কারণ এখানে এখনও পর্যন্ত একটি মাত্র হোমস্টেই রয়েছে যার নাম ধুপিঘাড়ি ফার্মস্টে। সবুজ পাহাড়ের কোলে ছোট্ট একটা কটেজ। সেখান থেকে প্রতিমুহূর্তে উপভোগ করতে পারবেন সর্গীয় দৃশ্য। এখান থেকে দার্জিিলং শহরেরও সুন্দর ভিউ পাওয়া যায়। দোল পূর্ণিমায় যদি এখানে যাওয়ার প্ল্যানিং করেন তাহলে তো সোনায় সোহাগা। জ্যোৎস্না রাতে কাঞ্জনজঙ্ঘার উপচে পড়া সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন। তারসঙ্গে হিরে খচিত নেকলেসের মতো ঝকমক করে দার্জিলিং শহর।
এখানে আসতে হলে সরাসরি শিলিগুড়ি থেকে গাড়ি ভাড়া করে আসতে পারেন। আবার দার্জিলিং থেকেও গাড়ি ভাড়া করে আসতে পারেন। দার্জিলিংয়ে দুটো দিন কাটিয়ে কয়েকটা দিন এই ধুপিঘাডিতে কাটিয়ে যেতে পারেন। তাতে মন্দ হবে না ট্যুর প্ল্যান।












Click it and Unblock the Notifications