Travel: ব্রিটিশ আমলের বাংলো বাড়ি আর সামনে বিস্তৃত চা-বাগান, পাহাড়ের এই নতুন লোকেশনে কাটিয়ে আসুন কটাদিন
৪৩ ডিগ্রির পারা ছুঁতে চলেছে দক্ষিণবঙ্গের তাপমাত্রা। অসহনীয় গরম। আপাতত বৃষ্টির কোনও আশা নেই। এই অসহনীয় গরমই চলবে। এই পরিস্থিতি থেকে বাঁচতে কটাদিন কাটিয়ে আসুন পাহাড়ের এই অফবিট লোকেশনে। একেবারে অন্যরকম এই জায়গা।
দার্জিলিংয়ের ভোটও শেষ হয়ে গিয়েছে। কাজেই আর টানাপোড়েন রইল না। এবার পর্যটকরা অবাধে যাতায়াত করতে পারবেন পাহাড়ে। যদিও ভোটের জন্য কেউ অপেক্ষা করেননি। গরম বাড়তেই দার্জিলিংয়ে ঢল নেমেছে পর্যটকদের। দার্জিলিংয়ের ম্যালের সঙ্গে ধর্মতলার এখন আর কোনও পার্থক্য নেই।

গরম যখন আরও বাড়বে বলছে তখন পাহাড়ের এই ঠিকানায় কটা দিন কাটিয়ে আসতেই পারেন। দার্জিলিংয়ের কাছেই রয়েছেন চামুং টি গার্ডেন। মিরিকের কাছেই রয়েছে রয়েছে সেই জায়গা। মিরিক মানেই চা-বাগান। সেটা আর আলাদা করে বাঙালি পর্যটকদের বলতে হয় না। এই মিরিক থেকে একটু এগোলেই পশুপতি ফটকের দিকে যেতেই পড়ে সেই চা -বাগান।
মিরিক লেকের দক্ষিণ দিক দিয়ে চলে গিয়েছে চামুং চা বাগানের রাস্তা। গোপালদারা ভিউ পয়েন্ট হয়ে যেতে হবে এখানে। ওকায়েত চা বাগানের বেশিরভাগই নেপালের অংশ। কারণ এখানে নেপাল আর পশ্চিমবঙ্গ গাঘেসাঘেসি করে রয়েছে। এই পথ দিয়ে যেতে যেতে মিলবে সেই চামুং টি এসস্টেট। চা-বাগানেই রয়েছে ব্রিটিশ আমোলের বাংলো। কাছাকাছি হোমস্টেও রয়েছে।
এখান থেকে ঘুরে নিতে পারবেন আশপাশের অনেক জায়গা। একেবারে প্রকৃতির কোলে নির্জনে কয়েকটা দিন কাটাতে চাইলে ঘুরে আসুন এই অফবিট লোকেশনে। একপাশে রংপং বস্তি আরেক পাশে চামুং টি এস্টেট। চা-বাগানের মধ্যেই রয়েছে চা ফ্যাক্টরি। কাজেই চা-বাগান ঘোরার পাশাপাশি কীভাবে চা ৈতরি হয় সেটাও দেখতে পাবেন। এই জায়গাটি পুরোটাই একটা ভ্যালির মতো। সেকারণে অসাধারণ লাগে এখানে একেবারে গ্রামীণ পরিবেশে কাটিয়ে যান কটা দিন।












Click it and Unblock the Notifications