Travel: হ্রদের মাঝে জগন্নাথ মন্দির, কলকাতার একেবারে কাছেই চলে আসুন বার্ড ভিলেজে
ওড়িশা মানেই জগন্নাথ ধাম। আর বাঙালির বেড়ানোর সবচেেয় পছন্দের জায়গা জগন্নাথ ধাম পুরী সেটা আলাদা করে বলার অপেক্ষা রাখে না। কিন্তু জানেন কি এই প্রতিবেশী রাজ্যেই রয়েছে এমন একটি জায়গা যেখানে জলের মধ্যে ডুবে রয়েছে জগন্নাথ মন্দির।
ওড়িশার যে জায়গা এই ডুবন্ত জগন্নাথ মন্দির রয়েছে সেই জায়গার নাম গোবিন্দপুর। তার আরেকটি নামও রয়েছে। এই গ্রামকে বলা হয় বার্ড ভিলেজ। কারণ এখানে প্রতিবছর শীতে অসংখ্য পরিযায়ী পাখি আসে। দলে দলে তারা এসে গ্রামের হ্রদের ধারে বাসা বাধে। গ্রামের গাছপালায় থাকে। আবার শীত কেটে গেলে নিজের নিজের দেশে ফিরে যায়।

এই গ্রামের কাছেই রয়েছে হিরাকুন্দ অভয়রণ্য। বনদফতরের কর্মীরা গ্রামবাসীদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে গ্রামটিকে পাখিদের বসবাসের উপযোগী করে গড়ে তুলেছে। গ্রামে প্রতিবছর প্রায় ২ লক্ষ পরিযায়ী পাখির আগমন হয়। তারমধ্যে ১০০ ধরনের প্রজাতির পাখি দেখা যায়। লখিমপুর ওয়াইল্ডলাইফ স্যাঞ্চুয়ারির মধ্যে পড়ে এই গ্রামটি। এই গ্রামের মধ্যে ৭৮৬ স্কোয়ার কিলোমিটার এলাকা জুড়ে রয়েছে এই পরিযায়ী পাখিদের আনাগোনা।
গ্রামের বাড়িগুলির দেওয়ালে বিভিন্ন রকমের পরিযায়ী পাখিদের ছবি দেখা যায়। যাকে বলে গ্রামের প্রতিটি বাড়ির দেওয়াল যেন গ্যালারি। সেখানে একাধিক পরিযায়ী পাখির নাম এবং ছবি দেখতে পাওয়া যায়। গ্রামের বাসিন্দারাই সেই সব ছবি এঁকেছে। একেবারে প্রাকৃতিক উপায়ে তৈরি রং দিয়ে সেই সব ছবি আঁকা হয়েছে।
এই গ্রামের পাশেই রয়েছে সেই হ্রদ। যেখানে পরিযায়ী পাখিরা এসে বাসা বাধে। এই হ্রদেই রয়েছে সেই জগন্নাথ মন্দির। যেটির কেবল মাত্র চূড়া দেখতে পাওয়া যায়। মন্দিরের বেশিরভাগটাই জলের নীচে। মন্দিরের চূড়ার কিছুটা পর্যন্ত জেগে রয়েছে জলের উপরে। এখানে নৌকা করে যাওয়া যায়। সকাল থেকে প্রায় সারাদিনই নৌকা করে ঘুরতে পারবেন। ওড়িশা ঝড়খণ্ড সীমান্তের এই গ্রামে অনেক পর্যটকই শীতকালে ভিড় করেন। শীত বিদায় নেওয়ার আগে একবার ঘুরে আসুন সেই জায়গায়।












Click it and Unblock the Notifications